প্রতীকী ছবি
পরকালে আল্লাহর অনুগত বান্দাদের জন্য রয়েছে চিরস্থায়ী শান্তির আবাস জান্নাত। জান্নাতে প্রবেশকারীদের মধ্যে রয়েছে মর্যাদার বিভিন্ন স্তর। আর সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবেন আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)।
হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেছেন- আমি কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম জান্নাতের দরজায় এসে কড়া নাড়ব। জান্নাতের প্রহরী বলবে, কে আপনি? আমি বলব, মুহাম্মদ। তখন সে বলবে, আপনার জন্যই আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, আপনার আগে যেন কারও জন্য দরজা না খুলি। (সহিহ মুসলিম ১৯৭)
এ হাদিসে নবীজি (সা.)-এর বিশেষ মর্যাদা স্পষ্ট হয়েছে। আল্লাহ তাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত হিসেবে পাঠিয়েছেন। তিনি মানুষকে তাওহিদ, ইমান, ইবাদত ও উত্তম চরিত্রের শিক্ষা দিয়েছেন। তার জীবন ছিল আল্লাহর আনুগত্য ও মানবতার কল্যাণে নিবেদিত।
আরও পড়ুন<<>>হজে আরও ২০ হাজার কোটা চায় হাব
জান্নাতের দরজায় সর্বপ্রথম কড়া নাড়ার এ মর্যাদা নবীজি (সা.)-এর অনন্য সম্মানের প্রমাণ। একই সঙ্গে এটি তার উম্মতের জন্যও বড় সৌভাগ্যের বিষয়। কারণ তার উম্মত তার দেখানো পথ অনুসরণ করে জান্নাত লাভের সুযোগ পাবে।
তাই একজন মুমিনের দায়িত্ব হলো, নবীজি (সা.)-এর সুন্নাহকে ভালোবাসা, তার আদর্শ অনুসরণ করা এবং তার দেখানো পথে জীবন পরিচালনা করা। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে নবীজি (সা.)-এর সুপারিশ লাভকারী এবং জান্নাতের অধিবাসী হওয়ার তওফিক দান করুন। আমিন।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































