Apan Desh | আপন দেশ

ইসলাম ধর্ম

বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হলো মক্কা

বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হলো মক্কা

এক বিরল ও চোখ জুড়ানো মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হলো সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরী। মঙ্গলবার (২৬ মে) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১৮ মিনিটে পবিত্র কাবার ঠিক মাথার ওপরে অবস্থান করছিল সূর্য। শতাব্দীর অন্যতম এ বিরল জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের জন্য কিবলার সঠিক দিক নির্ধারণের একটি চমৎকার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। জেদ্দা অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির পরিচালক প্রকৌশলী মাজেদ আবু জাহরা জানিয়েছেন, বিশেষ এ মুহূর্তে সূর্য পবিত্র কাবার সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে পৌঁছায়, যার কৌণিক পরিমাপ ছিল ৮৯.৯৪ ডিগ্রি। অর্থাৎ সূর্য পূর্ণ লম্বরেখা থেকে মাত্র ০.০৬ ডিগ্রি দূরে ছিল। এর ফলে মক্কা নগরীতে খাড়াভাবে থাকা যেকোনো বস্তুর ছায়া প্রায় অদৃশ্য হয়ে যায়।

০৭:০০ পিএম, ২৭ মে ২০২৬ বুধবার

শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিয়ে আজহারীর বার্তা

শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিয়ে আজহারীর বার্তা

প্রখ্যাত আলেম মিজানুর রহমান আজহারী সম্প্রতি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘ইসলামে সম্প্রীতির অনন্য বার্তা’ শিরোনামে একটি আলোচনার ভিডিও শেয়ার করেছেন। ওই আলোচনায় মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, পাহাড়ি ও নৃগোষ্ঠীসহ সবাই মিলেই বাংলাদেশের সমাজ। সবাই একসঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এখানে বিদ্যমান। তবে কখনো কখনো কিছু ব্যক্তি এ সম্প্রীতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করে—এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহবান জানান তিনি। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় আছে। ধর্মীয় উৎসবের সময় একে অপরের প্রতি সহনশীল আচরণের উদাহরণও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

০৭:৫৫ পিএম, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার

ইসলামবিদ্বেষে ‘জিরো টলারেন্স’ আহবান চীনের

ইসলামবিদ্বেষে ‘জিরো টলারেন্স’ আহবান চীনের

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসলামবিদ্বেষের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বা ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি গ্রহণের আহবান জানিয়েছে চীন। সোমবার (১৬ মার্চ) আন্তর্জাতিক ইসলামবিদ্বেষ বিরোধী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এ আহবান জানান জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি সুন লেই। সুন লেই বলেন, সব দেশের উচিত চরমপন্থি মতাদর্শ ও ‘সভ্যতার সংঘাত’ ধারণাকে দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা। একই সঙ্গে ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে ঘৃণা ও অসহিষ্ণুতার উসকানি নিষিদ্ধ করে শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় কাজ করা প্রয়োজন।

০৫:০৮ পিএম, ১৮ মার্চ ২০২৬ বুধবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement