Apan Desh | আপন দেশ

তারাবি নামাজের ফজিলত

আপন দেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৫৮, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

তারাবি নামাজের ফজিলত

ছবি: সংগৃহীত

তারাবি শব্দের শাব্দিক অর্থ বিশ্রাম নেয়া বা প্রশান্তি লাভ করা। পরিভাষায়, পবিত্র রমজান মাসে এশার নামাজের পর বিতরের আগে আদায়কৃত সুন্নাত নামাজকে তারাবি বলা হয়। সাধারণত চার রাকাত নামাজ আদায়ের পর যে বিরতি নেয়া হয়, সে বিশ্রাম থেকেই ‘তারাবিহ’ নামের উৎপত্তি।

পবিত্র রমজানের রোজা মহান আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর ফরজ করেছেন। আর তারাবির নামাজ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) প্রবর্তন করেন এবং সাহাবায়ে কেরামকে (রা.) তা আদায়ে উৎসাহিত করেছেন।

হজরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা রমজান মাসের রোজা রাখা তোমাদের জন্য ফরজ করেছেন। আর আমি তোমাদের জন্য রমজান মাসব্যাপী আল্লাহর এবাদতে দাঁড়ানো সুন্নাতরূপে চালু করেছি। কাজেই যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ঈমান ও সওয়াবের আশা নিয়ে এ মাসের রোজা রাখবে ও নফল (তারাবির) নামাজ পড়বে, সে তার জন্মদিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে যাবে। (নাসাঈ, হাদিস: ২২১২)।

তারাবি আদায়ে গুনাহ ক্ষমা করা হয়

রমজান মুসলমানদের জন্য ইবাদতের বিশেষ মৌসুম। এ মাসে অল্প আমলেও বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। মানুষের পাপ মোচনের অন্যতম মাধ্যম হলো তারাবির নামাজ।

আরও পড়ুন <<>> রোজার জরুরি মাসআলা-মাসায়েল

হজরত আবু হুরাইরা রা. বলেন রসুল সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমযানের রাতে ইবাদত করবে তার অতীতের গোনাহ-খাতা মাফ করে দেওয়া হবে। (সহিহ বুখারি:৩৭)

কোরআন খতমের সওয়াব

রমজান মাস কোরআন নাজিলের মাস। এ মাসে হজরত জিবরাইল (আ.) ও রাসুলুল্লাহ (সা.) পরস্পরকে কোরআন তিলাওয়াত করে শোনাতেন। সে ধারাবাহিকতায় বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা তারাবির নামাজে কোরআন খতম করেন।

তারাবির মাধ্যমে কোরআন খতমের বিশেষ সওয়াব অর্জিত হয়। কোরআন খতমের পর করা দোয়া আল্লাহ তাআলা কবুল করেন বলেও হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। হজরত ইরবায ইবনে সারিয়া (রা.) থেকে বর্ণিত—

তাই তারাবির মাধ্যমে কোরআন খতমের সওয়াব পাওয়া যায়। অপর দিকে কোরআন খতমের পরে যে,দোয়া করা হবে আল্লাহ সে দোয়া কবুল করেন। হাদিসে এমনই বর্ণিত হয়েছে, হজরত ইরবায ইবনে সারিয়া রা. হতে বর্ণিত, রাসূলে করিম সা. বলেন, যে ব্যক্তি ফরজ নামাজ পড়লো, তার দোয়া কবুল হয়। আর যে ব্যক্তি কোরআন খতম করলো তার দোয়াও কবুল হবে।’(আল-মু’জামুল কাবির ৬৪৭)

রমজানের বরকতময় রাতগুলোকে ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত ও তারাবির নামাজের মাধ্যমে কাজে লাগানো একজন মুমিনের জন্য মহান সৌভাগ্যের বিষয়।

আপন দেশ/এসএস

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়