ছবি : আপন দেশ
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের একটি শ্রমিক হোস্টেলের টয়লেট থেকে ইয়াকুব আলী (২৫) নামের এক যুবককে উদ্ধার করা হয়। এরপর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। আলামত হিসেবে বাথরুম থেকে ৩টি ব্লেড উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, প্রথমে গুরুতর আহত অবস্থায় সহকর্মীরা ইয়াকুবকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ইয়াকুব আলীর বাড়ি মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল মালেক। তিনি মেটাডোর কোম্পানির একজন শ্রমিক ছিলেন।
মেটাডোর কোম্পানির সহকারী ব্যবস্থাপক বজলুর রহমান জানান, রাতে খবর পেয়ে শ্রমিক হোস্টেলের টয়লেট থেকে ইয়াকুবকে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে ভর্তি রাখেন। পরে রাত ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
তিনি আরও জানান, মেটাডোর কারখানার পাশেই তাদের হোস্টেল। একটি কক্ষে প্রায় ৮ জন কর্মচারী থাকেন। রাতে সবাই ডিউটিতে ছিলেন। ইয়াকুবেরও রাতে ডিউটি ছিল। রাত ১টার দিকে তার ভালো লাগছে না বলে কারখানা থেকে বাসায় আসেন। এরপর কিছুক্ষণ পর তাকে গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে তারা কিছুই জানাতে পারেননি।
কামরাঙ্গীরচর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শেখ লুৎফর রহমান জানান, কারখানার শ্রমিক হোস্টেলের বাথরুম থেকে সহকর্মীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন : শুক্রবার টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
ঘটনাস্থলের ওই বাথরুম থেকে ৩টি ব্লেড উদ্ধার করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, কীভাবে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট কাজ করছে।
আপন দেশ/এনএম
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































