ছবি: আপন দেশ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিবকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা যুবদল।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে বালিয়াকান্দি ওয়াবদা মোড়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন বালিয়াকান্দি উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. কামরুজ্জামান কামরুল।
কামরুজ্জামান বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও পরে উপজেলা তরুণদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। এরপর যুবদলের কাউন্সিলে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হিসেবে সুনামের সহিত দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছি। আমি গত ১৬ বছর বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচীতে সরাসরি নেতাকর্মী নিয়ে অংশগ্রহণ করেছি। আমি রাজনৈতিক মামলায় হাজতবাসসহ নানাভাবে হয়রানীর শিকার হয়েছি।
তিনি আরও বলেন, শুক্রবার (১২ জুন) একটি পত্রিকায় ‘যুবদল নেতার বিরুদ্ধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ’ শিরোনামে আমাকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা মিথ্যা, বানায়োট, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক। আমি কোনদিন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। কিন্তু সংবাদে আমাকে ছাত্রলীগের রাজনৈতির যে কথা বলা হয়েছে তা আদৌ সত্য নয়।
আরও পড়ুন<<>>মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা দাবি করে তিনি বলেন, আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মুরাদকে মারধর করেছি, এটি সত্য নয়। তার সঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসে কোন মারধর বা বিরোধের মতো ঘটনা ঘটেনি। সংবাদে যা উল্লেখ করা হয়েছে, তা সর্বপরি বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
নিজেকে নির্দোষ দাবি করে কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, অ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রনের যে কথা বলা হয়েছে তার সঙ্গেও আমি জড়িত নই। ক্লিনিক থেকে যে চাঁদাবাজির কথা বলা হয়েছে তার কোন সত্যতা নেই। আমার রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুন্ন করতেই এসব মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। সংবাদে আমার অসচ্ছলতার যে কথাটি বলা হয়েছে তাও সত্য নয়।
সত্য উদ্ঘাটনের আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, বালু উত্তোলন, অ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি, মারধর, সাংবাদিক নির্যাতনসহ যে সকল অভিযোগ করা হয়েছে তার কোন সত্যতা পেলে সকল সাংবাদিকদের আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ করছি। একই সঙ্গে মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এসময় উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মিজানুর রহমানের মিজান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মনিরুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম, সোহাগসহ ক্লিনিক মালিক অসিত কুমার রায়, দেবব্রত রায়, অসিত সরকার, জাহাঙ্গীর আলম আনিস বক্তৃতা করেন।
ক্লিনিক মালিকরা বলেন, আমাদের কাছ থেকে কখনো কোন চাঁদাবাজি বা শালিসের নামে কোন টাকা পয়সা নেয়নি। এ ঘটনা মিথ্যা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মুরাদ বলেন, আমার সঙ্গে অফিসের মধ্যে কোন মারামারির ঘটনা ঘটেনি। কোথাও কোন অভিযোগও দেইনি। শুধু কথাকাটাকাটি হয়েছিল। তাৎক্ষনিক ভাবে আমরা তা মিটিয়ে ফেলি। এ নিয়ে আমার কোন অভিযোগ নেই।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































