ছবি সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আলোচনার পর শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও লেবানন। স্থানীয় সময় বুধবার (০৩ জুন) এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে এ ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। তবে এ যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি ও দীর্ঘস্থায়ীভাবে কার্যকর হওয়া নির্ভর করছে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে সব ধরনের সামরিক তৎপরতা সম্পূর্ণ বন্ধের ওপর।
আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকা এ দুই প্রতিবেশী দেশ সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে কিছু ‘পাইলট জোন’ বা পরীক্ষামূলক এলাকা তৈরিতে একমত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, এসব সুনির্দিষ্ট এলাকায় কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী বা অরাষ্ট্রীয় পক্ষ অবস্থান করতে পারবে না। এলাকাগুলোর সার্বিক ও একক নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব থাকবে কেবল লেবাননের রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর ওপর।
যৌথ বিবৃতিতে যুদ্ধবিরতির শর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, হিজবুল্লাহকে তাদের সমস্ত আক্রমণাত্মক কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। এর পাশাপাশি, দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকা থেকে এ গোষ্ঠীর সদস্যদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেয়ার শর্তও জুড়ে দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন<<>>বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এ সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটনের এ বৈঠকটি ছিল লেবানন ও ইসরায়েলি কূটনীতিকদের মধ্যে চতুর্থ দফার সরাসরি আলোচনা। এর আগে গত ২ মার্চ থেকে এ অঞ্চলে নতুন করে সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়।
কূটনৈতিক এ অগ্রগতির দিনও সীমান্তে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও পাল্টা হামলার খবর পাওয়া গেছে। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে হামলার দাবি করা হয়েছে, অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন।
তবে চলমান সংঘাতের মধ্যেই এ আলোচনাকে টেকসই শান্তির দিকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আগামী ২২ জুনের পর দুই পক্ষ আবারও পরবর্তী দফার আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসবে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































