Apan Desh | আপন দেশ

ভোট দিতে পারেননি মীর জাফরের বংশধর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৭:১২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

আপডেট: ১৭:১২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ভোট দিতে পারেননি মীর জাফরের বংশধর

ছবি : সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি মীরজাফরের বংশধর ও ‘ছোটে নবাব’ হিসেবে পরিচিত সৈয়দ মুহাম্মদ রেজা আলী মির্জা তিনি মীর জাফরের বংশধর।

জানা গেছে, প্রথম দফায় এদিন মুর্শিদাবাদে ভোট গ্রহণ হলেও সৈয়দ মুহাম্মদ ফাহিম আলী মির্জা, তার ছেলে এবং পরিবারের যেসব সদস্যের নাম নেই, তারা ভোট দিতে পারেননি।

মীর জাফরের বংশের দেড়শোরও বেশি সদস্যের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

মুর্শিদাবাদের লালবাগের কেল্লা নিজামত এবং তার আশপাশের অঞ্চলে বাস করেন মীর জাফরের বংশের সদস্যরা।

পরিবারের অভিযোগ, প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরে অনেককেই শুনানিতে ডাকা হয়েছিল এবং সেখানে তারা সব নথিপত্র জমাও দিয়েছিলেন। তবুও তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ গেছে। 

আরও পড়ুন<<>>‘ভারতের মানুষ কেবল সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসে’

ভারতের নির্বাচন কমিশন পরিচালিত  স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) বা ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় মীর জাফরের প্রায় ৩০০-৩৪৬ জন বংশধরের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

মীর জাফরের পরিবারের সদস্যদের প্রশ্ন, ১৯৪৭ সালে অনেক প্রলোভন সত্ত্বেও পরিবারের বেশিরভাগই পাকিস্তানে না গিয়ে ভারতে থেকে যায়, এত বছর পরে কেন নতুন করে তাদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে?

ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর ব্রিটিশের সহায়তায় মসনদে বসেন মীরজাফর। বর্তমানে তার ১৫তম বংশধর মহম্মদ রেজা আলি মির্জা (যিনি মুর্শিদাবাদে ছোটে নবাব নামে পরিচিত) এখনও কিল্লা নিজামত এলাকার ঘণ্টা ঘরের কাছে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। ১৬তম বংশধর সৈয়দ মহম্মদ ফাহিম মির্জাও বাবার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন। কিল্লা নিজামত চত্বরে নবাব পরিবারের আরও বহু সদস্যের বাস। তাদের অনেকের নামও ভোটার তালিকা থেকে স্থায়ীভাবে মুছে দেয়া হয়েছে।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়