Apan Desh | আপন দেশ

রোজায় গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়

আপন দেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩:১২, ৭ মার্চ ২০২৬

রোজায় গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়

প্রতীকী ছবি

পবিত্র রমজান মাসে স্বাভাবিকভাবেই খাদ্যাভ্যাস ও খাবারের সময়সূচিতে অনেক পরিবর্তন আসে। এ সময় আমরা এমন অনেক কিছু খাই, যা অন্য সময় খাওয়া হয় না। তাই অনেকেই রোজার শুরু থেকে গ্যাসের সমস্যায় ভুগতে থাকেন। কারও কারও পেটব্যথা, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়াও হয়। কিন্তু খাবার নিয়ে একটু সতর্ক থাকলেই রমজানে এ সমস্যাগুলো থেকে দূরে থাকা যায়।

আসলে যখনই কিছু খাওয়া হয়, তখন তা হজম করার জন্য পানির প্রয়োজন হয়। তবে রোজা রাখার কারণে দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করা হয় না, ফলে অপাচ্য খাবার অ্যাসিডিটি ও গ্যাসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এজন্য সুস্থভাবে রোজা রাখতে চাইলে ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা এড়াতে বুঝে শুনে খাবার খেতে হবে। জেনে নিন কোন কোন খাবার খাবেন আর কোনটি নয়-

সাহরিতে ভারী খাবার খাবেন না: সাহরির সময় ভারী খাবার গ্রহণ করলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়তে পারে। এটি হজম হতে পাকস্থলীর অনেক সময় লাগে।

এছাড়া মাংসের মতো জিনিসের রেসিপি হজম করতে পেটকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। ফলে বদহজম হতে পারে, যার কারণে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে।

আরও পড়ুন<<>>রমজানে দীর্ঘস্থায়ী রোগের বিষয়ে সতর্কতা

সাহরিতে বেশি করে পানীয় গ্রহণ করুন: সাহরিতে বেশি বেশি পানীয় খাওয়া হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করতে পারে। এটি খাবারের হজমকে ত্বরান্বিত করে ও আপনাকে সারাদিন হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়া এটি রোজা রাখার সময় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

সাহরি শেষে পুদিনা চা পান করুন: সাহরির শেষে পুদিনা চা পান করলে সারাদিনের গ্যাস ও অ্যাসিডিটি কম হয়। এটি পাকস্থলীর ক্রিয়াকলাপকে ত্বরান্বিত করতে ও অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে সহায়তা করে। তাই সেহরি ও ইফতারের শেষে এ পুদিনা চা খান।

গুড় খেতে পারেন: গ্যাস ও অ্যাসিডিটির সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। হজমের ক্রিয়াকলাপকে ত্বরান্বিত করে ও পেট ফোলার সমস্যা প্রতিরোধ করে গুড়। তাই সাহরি ও ইফতারের সময় অবশ্যই গুড় খাবেন।

আপন দেশ/জেডআই

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়