চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামান
শ্রমিক-কর্মচারীদের ধর্মঘটের মধ্যেও বন্দরের কার্যক্রম সচল আছে বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান। রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১২টার দিকে বন্দর ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, বন্দরকে হাইজ্যাক করে জনগণকে জিম্মি করে কিছু বিপথগামী কর্মচারী এ পথ বেছে নিয়েছে। আমরা রাষ্ট্রের কর্মচারী-কর্মকর্তা; আমাদের আনুগত্য থাকবে রাষ্ট্রের প্রতি। বন্দর যে আইনে চলে, সে আইনের প্রতি এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। কেউ যদি বিপথগামী হয়ে অন্য কারো আনুগত্য বেছে নেয়, সেটা কর্মকর্তা-কর্মচারী আচরণ বিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান বলেন, যারা এসব করছে তারা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ও জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। রমজানের আগে এ ধরনের একটা কাজ করে জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে তারা।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বন্দর সচল আছে। আমি ২ ঘণ্টা বন্দরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা সবাই কাজে যাবে। কেউ বাধা দিবে না।
আরও পড়ুন<<>>অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর
বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার ভার ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেয়ার বিষয়ে সমঝোতা শেষ হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নেগোসিয়েশন এখনো শেষ হয়নি।
এনসিটি পরিচালনার ভার আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেয়ার প্রক্রিয়া বাতিলসহ চারদফা দাবিতে রোববার সকাল ৮টা থেকে লাগাতার ধর্মঘট শুরু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। এদিন সকাল থেকে শ্রমিক-কর্মচারীরা বন্দরের ভেতরে কাজ করা থেকে বিরত থাকে। বিভিন্ন জেটিতে সব ধরনের পণ্য ও কনটেইনার ওঠানামা বন্ধ হয়ে যায় এবং পণ্য ডেলিভারি কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে পড়ে।
সকাল থেকে বন্দরের ভেতরে কোনো ধরনের ট্রেলার বা পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহন প্রবেশ করেনি। আন্দোলনকারী শ্রমিক নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম একপ্রকার বন্ধ হয়ে গেছে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































