ছবি: আপন দেশ
খুলনা অঞ্চলের কৃষকরা শীতকালীন আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ মৌসুমে তাদের লক্ষ্যমাত্রা ৭৮ হাজার ৪৭ টন আলু উৎপাদন করা।
এদিকে খুলনা ও আশেপাশের জেলার বাজারে আগাম জাতের আলু পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া চাহিদা বৃদ্ধির কারণে নতুন কাটা আলু তুলনামূলকভাবে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। যা কৃষকদের জন্য ভালো লাভের সুযোগ সৃষ্টি করছে।
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কৃষকরা জানান, আমন ধান কাটার পর আলু চাষে তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) কর্মকর্তারা ৩ হাজার ৫৯১ একর জমিতে এ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন।
এর মধ্যে খুলনায় ৭০০ হেক্টর, বাগেরহাটে ৫৭৯ হেক্টর, সাতক্ষীরায় ২,২২৫ হেক্টর এবং নড়াইলে ৮৭ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। এ পর্যন্ত খুলনায় ৬৭ শতাংশ, বাগেরহাটে ৬৮ শতাংশ, সাতক্ষীরায় ৮৩ শতাংশ এবং নড়াইলে ১০১ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে।
ডিএই-এর তথ্য অনুযায়ী, খুলনায় ৪৬৯ হেক্টর, বাগেরহাটে ৩৯৫ হেক্টর, সাতক্ষীরায় ১,৮৫৬ হেক্টর এবং নড়াইলে ৮৮ হেক্টর জমিতে আলু চাষ সম্পন্ন হয়েছে।
ডিএই-এর খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ২,৮০৮ হেক্টর জমি আলু চাষের আওতায় এসেছে। চারটি জেলার মূল ভূখণ্ড ও লবণাক্ত এলাকায় আগামী ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত বীজ বপন চলবে। তিনি জানান, নভেম্বরের শেষ ও জানুয়ারির শুরু থেকে কৃষকরা আগাম জাতের আলু সংগ্রহ অব্যাহত রেখেছেন।
আরও পড়ুন <<>> শীতের মধ্যেও উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টির আভাস
তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত প্রণোদনা ও বিশেষ সহায়তার কারণে কৃষকরা আলু চাষে আগ্রহী। ডিএই এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো এ মৌসুমে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেও ভালো ফলন নিশ্চিত করতে কৃষকদের সর্বশেষ প্রযুক্তি সরবরাহ করছে।
খুলনা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (কেসিসিআই) প্রাক্তন পরিচালক জেসান ভুট্টো বলেন, ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে এবং আলু চাষ সম্প্রসারণে কৃষকদের উৎসাহিত করতে আলুজাত পণ্য সংরক্ষণ ও রপ্তানির জন্য আরও কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনের প্রয়োজন রয়েছে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































