Apan Desh | আপন দেশ

অভিযোগ

হাদী হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য, মমতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

হাদী হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য, মমতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ (এফআইআর) করা হয়েছে। ভারতের শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় এ অভিযোগ দায়ের করা হয়। ভারতের টিভিনাইনবাংলার এক প্রতিবেদনে জানা যায়, আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায় মমতার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগ, গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশে খুন হওয়া ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদীর হত্যায় অভিযুক্তরা গতবছরের জানুয়ারিতে মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে যায়। সেখানে তাদের দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার (০২ জুন) এক সভায় মমতা নাম উল্লেখ না করলেও সে প্রসঙ্গ তুলেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, বাংলাদেশে খুন হলেও কারা জড়িত তিনি জানেন। নাম জড়ান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের।

০৩:৪১ পিএম, ৪ জুন ২০২৬ বৃহস্পতিবার

জামায়াতের অভিযোগ প্রসঙ্গে যা বললেন রিজওয়ানা

জামায়াতের অভিযোগ প্রসঙ্গে যা বললেন রিজওয়ানা

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে- এমন অভিযোগ তুলে এ দাবি জানায় দলটি। এ প্রসঙ্গে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সুষ্ঠু হলেও ফলাফল তৈরি ও ঘোষণায় মহা-ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে। সাবেক উপদেষ্টার কথায় তা প্রমাণ হয়েছে। শুক্রবার (০৬ মার্চ) ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানের গ্রেফতারের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করে জামায়াত। এর আগে বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) জামায়াতের নায়েবে আমীর দুই উপদেষ্টার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন। এসব অভিযোগ খন্ডন করেছেন সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা।

০৭:৩৬ পিএম, ৬ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার

প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ মিললে পরীক্ষা বাতিল করা হবে: ডিজি

প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ মিললে পরীক্ষা বাতিল করা হবে: ডিজি

সদ্য অনুষ্ঠিত প্রাথমিক স্কুলে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, জালিয়াতি, অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন নিয়োগপ্রত্যাশীরা। তাদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে অভিযোগের তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান। শামসুজ্জামান জানান, চাকরিপ্রার্থীরা আমাদের কাছে পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তাই বিষয়টি তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে। তিনি বলেন, এর আগেও দুটি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। কিন্তু অনিয়ম না পাওয়া গেলে আমরা ফল প্রকাশ করব।

০৮:২৭ পিএম, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ রোববার

কনসার্টে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের জেরে ভাঙচুর, গোলাগুলি

কনসার্টে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের জেরে ভাঙচুর, গোলাগুলি

চট্টগ্রাম নগরের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে কনসার্টে ‘জয় বাংলা’, ‘শেখ হাসিনা’ স্লোগান দেওয়া নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারি ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে মো. শরীফ (২৩) নামে এক তরুণ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে শরীফ কার গুলিতে আহত হয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শনিবার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে আটটায় এ ঘটনা ঘটে। এ সংক্রান্ত ২৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি পক্ষ কনভেনশন সেন্টারের মূল ফটক ভাঙচুর করার চেষ্টা করছে। এ সময় ভেতরে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি ছোড়েন। খবর পেয়ে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হলের সামনে জড়ো হন। জিইসি মোড়ের কনভেনশন সেন্টারে মোটরসাইকেল উৎপাদক একটি প্রতিষ্ঠান কনসার্টের আয়োজন করে। এতে ব্যান্ড দল আর্টসেল গান পরিবেশন করতে আসে। কনসার্ট সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল। সন্ধ্যায় কনসার্ট শুরু হলে ‘শেখ হাসিনা’, ‘শেখ হাসিনা’ বলে স্লোগান দিতে শুরু করেন কিছু লোক। অনেকে তা মোবাইল ফোনে ভিডিও করেন। পরে হট্টগোল শুরু হয় এবং কনসার্ট পণ্ড হয়ে যায়। কনভেনশন সেন্টারে ভাঙচুর শুরু হয়। এখন সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আছেন। প্রত্যক্ষদর্শী মো. নাঈম বলেন, কনসার্ট চলাকালে একটি পক্ষ সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয়। স্লোগান দেওয়া ব্যক্তিরা ছাত্রলীগের কর্মী। এ নিয়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ করেন। এরপর দু’পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে ছাত্রদলের দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, গুলিবিদ্ধ ব্যক্তি ও তার সঙ্গে আসা লোকজন সঠিক তথ্য দিচ্ছেন না। তাই আসল ঘটনা জানা যাচ্ছে না। গুলিবিদ্ধ আহত ব্যক্তিদের দেখতে চমেক হাসপাতালে যাওয়া চট্টগ্রাম নগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম বলেন, কনসার্ট চলাকালে কনভেনশন সেন্টারের ভেতরে আওয়ামী লীগের স্লোগান দিয়েছে একটি পক্ষ। পরে এটি নিয়ে ভেতরে গণ্ডগোল হয়েছে। কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পেয়ে তাঁদের দেখতে হাসপাতালে এসেছেন। নগরের খুলশী থানার ওসি শাহীনুর জামান বলেন, একটি মোটরসাইকেল প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানের অনুমতি ছিল। কোনো কনসার্টের অনুমতি ছিল না। প্রদর্শনী শেষে কনসার্টের সময় স্লোগান দেয়া নিয়ে ঝামেলা হলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কনসার্ট আয়োজনের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের খুলশী থানায় ডেকে নেয়া হয়েছে।

০৮:১৭ পিএম, ১১ অক্টোবর ২০২৫ শনিবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement