ফাইল ছবি
আজ রোববার (০৫ এপ্রিল) খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ‘ইস্টার সানডে’। এটিকে যিশুখ্রিষ্টের পুনরুত্থান দিবসও বলা হয়। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, গুড ফ্রাইডেতে ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার তৃতীয় দিনে যিশু খ্রিস্ট মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে ফিরে এসেছিলেন।
খ্রিষ্টান ধর্মমতে, দিবসটিতে ঈশ্বরপুত্র যিশুখ্রিষ্ট মৃত্যুকে জয় করে পুনরুত্থিত হয়ে তাদের পাপ থেকে মুক্ত করেছিলেন। পুণ্য শুক্রবার বা গুড ফ্রাইডেতে বিপথগামী ইহুদি শাসকগোষ্ঠী তাদের কুসংস্কারাচ্ছন্ন শাসনব্যবস্থা রক্ষায় যিশুখ্রিষ্টকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করে। মৃত্যুর তৃতীয় দিন রোববার তিনি মৃত্যু থেকে জেগে ওঠেন বা পুনরুত্থান করেন। যিশুখ্রিষ্টের পুনরুত্থানের এ রোববারকে ইস্টার সানডে বলা হয়।
ইস্টার সানডে নির্দিষ্ট কোনো তারিখে পালিত হয় না। বলা হয়, ২১ মার্চের পর যখন আকাশে প্রথম পূর্ণ চাঁদ দেখা যায়, তার পরের রোববার পালন করা হয়। মূলত গ্রেগরিয়ান ও জুলিয়ান ক্যালেন্ডারসহ বেশ কয়েকটি দিনপঞ্জিকার হিসাব মিলিয়ে বের করা হয় ইস্টারের তারিখ। যা ৪ এপ্রিল থেকে ৮ মের মধ্যে যে কোনো সময় হতে পারে।
আরও পড়ুন<<>>অস্ট্রেলিয়ার ভিসা বাতিলের অভিযোগ সঠিক নয়: আজহারী
সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় উদ্যাপিত হবে ইস্টার সানডে। এ উপলক্ষ্যে বাহ্যিক ও আধ্যাত্মিক দুভাবেই চলছে নানা আয়োজন। ইস্টার সানডেতে অনেকেই আপনজনের সমাধিতে মোমবাতি জ্বালিয়ে তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে। বিশ্বে অন্যসব দেশের মতো বাংলাদেশের খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীরাও যথাযথ মর্যাদায় দিনটি পালন করেন।
দিনের শুরুতে ঢাকার রমনা ক্যাথেড্রাল চার্চসহ দেশের সব গির্জায় বিশেষ উপাসনা ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। ভক্তরা দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করছেন। নতুন জীবনের প্রতীক হিসেবে শিশুরা রঙিন ডিম বা ‘ইস্টার এগ’ বিনিময় করছে। দিনটি উপলক্ষে গির্জাগুলোতে বিশেষ আলোকসজ্জা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রয়েছে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































