ছবি : আপন দেশ
গণতন্ত্রের প্রশ্নে বিএনপি সব সময় আপসহীন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, সময় ও প্রজন্ম বদলালেও জনগণের প্রতি বিএনপির দায়বদ্ধতা কমেনি।
সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) বাংলা অ্যাকাডেমি প্রাঙ্গণে ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা ২০২৬’ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহ্দী আমিন বলেন, ইতিহাস সাক্ষী দেয়, যতবারই বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে, ততবার বিএনপিই তা পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন বাকশাল-পরবর্তী বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন, তেমনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন। আর দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের পর সবার প্রাণপ্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আবারও আজ আমরা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে সুসংহত করছি।
তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মাত্র চারটি রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্রের জায়গায় বন্ধ থাকা সব গণমাধ্যম উন্মুক্ত করে দিয়ে এ দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে এনেছিলেন। এরপর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে উন্মুক্ত মিডিয়া ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সুফল পেতে শুরু করে দেশ। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার এমন একটি পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে, যেখানে মৌলিক অধিকার, আইনের শাসন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পুরোপুরি নিশ্চিত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, একদল কুচক্রী মহল বাকস্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে নানা অপপ্রচার ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করে উসকানি দিচ্ছে। বাকস্বাধীনতার নামে যারা চরম অশালীনতা ও মিথ্যাচার চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইন তার নিজস্ব গতিতে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
আরও পড়ুন <<>> নতুন দায়িত্বে বরকতুল্লাহ বুলু
বিএনপির আত্মমর্যাদাশীল পররাষ্ট্রনীতির কথা উল্লেখ করে মাহ্দী আমিন বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে সব সময় নতজানু পররাষ্ট্রনীতির বৃত্ত ভেঙে স্বাধীন ও সার্বভৌম অবস্থান বজায় রাখে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সার্ক ও ওআইসিতে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকার মর্যাদা উঁচু করেছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে সে আত্মমর্যাদাশীল ধারা আবারও ফিরে এসেছে। মালয়েশিয়া কিংবা চীনের মতো পরাশক্তিগুলোতে তার বীরোচিত সংবর্ধনা তারই প্রমাণ।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।
এছাড়া জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা হাবিবা, বিএনপির নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল বক্তব্য দেন।
এ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জহির দীপ্তির বক্তব্য রাখেন।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































