Apan Desh | আপন দেশ

সাবেক এমপি-সচিবের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৭:২৬, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৮:৪২, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাবেক এমপি-সচিবের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

ছবি : আপন দেশ

ফেনী-১ আসনের সাবেক এমপি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিবের বিরুদ্ধে  অনুসন্ধানের উদ্যোগ নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ তদন্তের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

এ অনুসন্ধান হবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের বিরুদ্ধে। এছাড়া ফেনী-১ আসনের সাবেক এমপি আলিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিমের বিরুদ্ধেও দুদক অনুসন্ধান করবে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ড. আহমদ কায়কাউসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।

অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে চিঠি পাঠানো হয়। পরিপ্রেক্ষিতে পাওয়া প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, একই ধরনের অভিযোগে কায়কাউসের বিরুদ্ধে দুদকের মানিলন্ডারিং অনুবিভাগের নথি নং-০০.০১.০০০০.৪০৩.০১.১০০.২৫-এর মাধ্যমে অনুসন্ধান চলছে।

আরও পড়ুন <<>> দুবাইয়ে ৭৩ জনের সম্পদের তথ্য চাইবে দুদক

এ অবস্থায় নতুন করে পাওয়া অভিযোগটি ওই নথির সঙ্গে সংযুক্ত করে অনুসন্ধানের সুপারিশ করা হয়েছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও গোয়েন্দা ইউনিটের সুপারিশের ভিত্তিতে অভিযোগটি চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুদকের মহাপরিচালক (মানিলন্ডারিং) বরাবর পত্র পাঠানোর অনুমোদন দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সাবেক এমপি আলিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জমি দখলসহ নিয়োগ বাণিজ্য, দলীয় পদ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

একই সঙ্গে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগও করা হয়েছে।

দুদকের নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, নাসিমের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালীর নথি নং-০০.০১.৩০০০.৬২৪.০২.০১৫.২৫-এর মাধ্যমে ইতোমধ্যে তদন্ত চলছে। 
নতুন করে পাওয়া অভিযোগটিও ওই নথির সঙ্গে সংযুক্ত করে তদন্তের সুপারিশ করা হয়েছে।

গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও গোয়েন্দা ইউনিটের সুপারিশের ভিত্তিতে অভিযোগটি চলমান তদন্তের সঙ্গে যুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুদকের মহাপরিচালক (তদন্ত-২) বরাবর পত্র পাঠানোর অনুমোদনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই ও চলমান অনুসন্ধান-তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। অভিযোগের সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে না।

আপন দেশ/এসএস

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়