ছবি : আপন দেশ
ঢাকার কেরানীগঞ্জে নিখোঁজের প্রায় ২০ দিন পর মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুই নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন কালিন্দী ইউনিয়নের মুক্তির বাগ এলাকা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন রোকেয়া রহমান (৩২) ও তার মেয়ে ফাতেমা (১৪)। ফাতেমা স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিলেন। রোকেয়া রহমান ছিলেন আইনজীবীর সহকারী মো. শাহীন মিয়ার স্ত্রী। গত ২৫ ডিসেম্বর স্ত্রী ও মেয়েকে না পেয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন শাহীন মিয়া।
এ ঘটনায় ফাতেমার গৃহশিক্ষিকা মীম বেগম (২৪) এবং তার বড় বোন নুরজাহান বেগম ওরফে নুসরাতকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, কালিন্দী ইউনিয়নের মুক্তির বাগ এলাকায় শামীম মিয়ার মালিকানাধীন একটি পাঁচতলা ভবন ছিল। সে ভবনের দ্বিতীয় তলায় ফাতেমার গৃহশিক্ষিকা মীম ভাড়া থাকতেন। মীমের ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
ওই ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রনি চৌধুরী জানান, ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রোকেয়া রহমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর বাথরুমের সানশেড থেকে পাওয়া যায় তার মেয়ে ফাতেমার মরদেহ। এ ঘটনায় গৃহশিক্ষিকা মীমসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় পুলিশ।
এদিকে নিহতদের স্বজনদের অভিযোগ, নিখোঁজের পর পুলিশের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা পাননি তারা। এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































