ছবি: সংগৃহীত
পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র কদিন বাকি। এটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য আনন্দ ও ত্যাগের এক মহিমান্বিত দিন। আর্থিকভাবে সক্ষমদের জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব। এ গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায়।
কোরবানির মাংস তিন ভাগে ভাগ করা সুন্নত। এক ভাগ নিজের ও পরিবারের জন্য। আরেক ভাগ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের জন্য। আর তৃতীয় ভাগ গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য।
কোরবানি শেষে অনেক সময় অতিরিক্ত মাংস সংরক্ষণ নিয়ে সমস্যা দেখা দেয়। সঠিক নিয়ম জানা থাকলে এটি কোনো সমস্যাই নয়। বৈজ্ঞানিক ও শরিয়তসম্মত নিয়ম মেনে সংরক্ষণ করলে মাংসের স্বাদ, পুষ্টিগুণ ও মান ঠিক থাকে।
সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অনুসরণ করা উচিত।
প্রথমে মাংস সংগ্রহের পর ভালোভাবে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। এরপর ভেজা বা রক্তসহ অবস্থায় খোলা রেখে ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। ফুড গ্রেড পলিথিন বা ঢাকনাযুক্ত পাত্রে মাংস সংরক্ষণ করতে হবে।
মাংস বড় আকারে একসঙ্গে না রেখে ছোট ছোট ভাগে বা ফ্যামিলি প্যাক আকারে সংরক্ষণ করা সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি। এতে প্রয়োজন অনুযায়ী সহজে ব্যবহার করা যায়।
আরও পড়ুন <<>> কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যা করবেন
একবার ফ্রিজ থেকে বের করে গলানোর পর সে মাংস আবার ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। এতে মাংসের গুণগত মান ও পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।
ফ্রিজে কাঁচা মাংস সবসময় রান্না করা খাবার, ফলমূল বা মিষ্টিজাতীয় খাবার থেকে আলাদা রাখতে হবে। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
সঠিকভাবে ডিপ ফ্রিজের নিম্ন তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করলে কোরবানির মাংস সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত ভালো ও নিরাপদ থাকে।
আপন দেশ/এসএস




































