Apan Desh | আপন দেশ

রাত জেগে বিশ্বকাপ? ঘুমের ঘাটতি পূরণ করবেন যেভাবে

আপন দেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:৫২, ২০ জুলাই ২০২৬

রাত জেগে বিশ্বকাপ? ঘুমের ঘাটতি পূরণ করবেন যেভাবে

ছবি: সংগৃহীত

মাত্রই শেষ হলো ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬’। এবার টুর্নামেন্টজুড়ে মধ্যরাত কিংবা ভোররাতে খেলা দেখতে হয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। তাই ঘুমের ঘাটতিতে পড়েছেন অনেকেই।

টানা কয়েকদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ায় শুরু হয়- ক্লান্তি, মনোযোগ কমে যাওয়া, মাথাব্যথা, খিটখিটে মেজাজ ও কর্মক্ষমতা হ্রাসের মতো সমস্যা।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একদিনে দীর্ঘ সময় ঘুমিয়ে এ ঘাটতি পুরোপুরি পূরণ করা যায় না। বরং ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ঘুমের রুটিনে ফিরতে হবে।

ঘুম বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের ঘাটতি কাটাতে প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং একই সময়ে জেগে ওঠার অভ্যাস সবচেয়ে কার্যকর। একদিন ১০-১২ ঘণ্টা ঘুমানোর বদলে পরবর্তী কয়েক রাত স্বাভাবিকের তুলনায় ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা আগে ঘুমাতে গেলে শরীর ধীরে ধীরে ঘুমের ঘাটতি পুষিয়ে নিতে পারে। দীর্ঘ সময় সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকা শরীরের জৈবঘড়িকে আরও এলোমেলো করে দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দিচ্ছেন, দিনের বেলায় অতিরিক্ত ক্লান্ত লাগলে ২০-৩০ মিনিটের বেশি না ঘুমানোই ভালো।

বিকেল বা সন্ধ্যায় দীর্ঘ সময় ঘুমালে রাতে আবার ঘুম আসতে দেরি হতে পারে। একই সঙ্গে সকালে সূর্যের আলোতে কিছু সময় হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম শরীরের স্বাভাবিক ঘুম-জাগরণের ছন্দ ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।

রাত জাগার পর অতিরিক্ত কফি বা এনার্জি ড্রিংকের ওপর নির্ভর না করার পরামর্শও দিয়েছেন চিকিৎসকরা। বিশেষ করে বিকেলের পর ক্যাফেইন গ্রহণ কমানো উচিত। একই সঙ্গে রাতের খাবার হালকা রাখা এবং ঘুমানোর আগে ভারী বা তৈলাক্ত খাবার ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চললে ভালো ঘুম হতে পারে।

আরও পড়ুন <<>> বর্ষায় সুস্থ থাকতে যা করবেন

ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল ফোন, ট্যাব বা টেলিভিশনের পর্দা থেকে দূরে থাকার পরামর্শও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ পর্দা থেকে নির্গত নীল আলো মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণে বাধা দেয়, যা ঘুম আসতে দেরি করাতে পারে।

তাই বই পড়া, হালকা সুরের গান শোনা বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামের মতো আরামদায়ক অভ্যাস ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করে।

চিকিৎসকদের মতে, বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে কয়েকদিন রাত জাগা সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করে না। তবে যদি কয়েক সপ্তাহ ধরে পর্যাপ্ত ঘুম না হয়, অথবা অতিরিক্ত ঘুমঘুম ভাব, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া বা দৈনন্দিন কাজে সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

আপন দেশ/এসএস

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়