Apan Desh | আপন দেশ

জন্মস্থান মাশহাদে খামেনির দাফন আজ

আন্তজাতিক ডেস্ক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ০৮:৫৪, ৯ জুলাই ২০২৬

আপডেট: ০৯:১৩, ৯ জুলাই ২০২৬

জন্মস্থান মাশহাদে খামেনির দাফন আজ

ছবি সংগৃহীত

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে চিরবিদায় জানানো হবে। শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফে লাখো মানুষ সমবেত হন। পরে তার মরদেহ নিজ জন্মস্থান মাশহাদে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেখানেই বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) তাকে দাফন করা হবে।

এর আগে পাঁচ দিনের রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বুধবার (০৮ জুলাই) খামেনির মরদেহ ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফে নেয়া হলে লাখো মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শোকযাত্রায় অংশ নেন। ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিনটি একটি বিশেষ কাচের বাক্সে বহন করা হয়। হজরত আলি (রা.)-এর পবিত্র মাজারে তার জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরদেহ কারবালার উদ্দেশে নেয়া হয়, যেখানে ইমাম হুসেন (রা.) ও হজরত আব্বাস (রা.)-এর মাজারেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

ইরাকে শোকযাত্রায় অংশ নেয়া লাখো মানুষের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা, কালো শোকপতাকা এবং প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে লাল পতাকা। রাস্তা জুড়ে বুক চাপড়ে মাতম করতে দেখা যায় বহু শোকাহত মানুষকে। নাজাফ ও কারবালার বিভিন্ন সড়কে শোকযাত্রীদের জন্য স্বেচ্ছাসেবীরা বিনা মূল্যে খাবার ও পানীয় বিতরণ করেন।

খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যের এ আয়োজন এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বেড়েছে। হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক হামলা-পালটা হামলার মধ্যেই এ শোকানুষ্ঠান চলছে। ইরানের কর্মকর্তাদের আশা, বিপুল জনসমাগম দেশটির জাতীয় ঐক্য ও প্রতিরোধের বার্তা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরবে।

আরও পড়ুন<<>>রাতেই ইরানে কঠোর আঘাত হানব: ট্রাম্প

ইরাকের নাজাফ শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র নগরী। ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে অসংখ্য শিয়া ধর্মীয় নেতা এখানে শিক্ষা গ্রহণ ও শিক্ষা প্রদান করেছেন। তাদের মধ্যে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনিও রয়েছেন। প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লাখো শিয়া মুসলিম নাজাফ ও কারবালা সফর করেন।

এদিকে নিরাপত্তাজনিত কারণে খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে নির্বাচিত দ্বিতীয় ছেলে মোজতবা খামেনি এখনো জনসমক্ষে আসেননি। তবে লিখিত বার্তার মাধ্যমে তিনি দায়িত্ব পালন করে আসছেন বলে ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরাকে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ শোকযাত্রা শুধু ধর্মীয় আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং ইরান-ইরাকের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক সম্পর্কেরও প্রতীক। ২০০৩ সালে সাদ্দাম হুসেইনের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্ক নতুন মাত্রা লাভ করে, যার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে খামেনির শেষ বিদায়ের এ ঐতিহাসিক আয়োজনে।

আপন দেশ/জেডআই

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়

শীর্ষ সংবাদ:

স্থানীয় নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হলেই কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হতে আগ্রহী বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যের নামে ভুয়া আইডি, প্রতারক রিমান্ডে দ. কোরিয়া-যুক্তরাজ্য থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার আছে: আইনমন্ত্রী নুসরাত হত্যায় দু’জনের মৃত্যুদণ্ড, চারজনের যাবজ্জীবন ছয় মাসে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রবণতা বেশি: সি‌পি‌ডি বিশ্ববাজারে ৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে স্বর্ণ পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি বিএনপির মিডিয়া সেলের এক সদস্যকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ঢাকায় বাংলাদেশে-ব্রাজিল ম্যাচ ৬ অক্টোবর বগুড়ায় সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা গাড়ির কাগজপত্র হালনাগাদের সময় বাড়ল ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মার্কিন কৌশল নিয়ে সতর্কবার্তা: নিষেধাজ্ঞায় ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন হবে না
City Touch