ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বন্দরগুলোতে সম্ভাব্য নৌ অবরোধ কার্যকর হওয়ার সময় ঘনিয়ে এলেও এখনো জনসম্মুখে আসেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৩ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের অস্বাভাবিক ব্যস্ততা থাকলেও তার সব কর্মসূচি ‘বন্ধ দরজার আড়ালে’ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
হোয়াইট হাউসের সূচি অনুযায়ী, ট্রাম্পের দিনের সব অনুষ্ঠানই গণমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত নয়। এমনকি উইলেম-আলেক্সান্ডার ও ম্যাক্সিমার সঙ্গে নির্ধারিত নৈশভোজও ব্যক্তিগত পরিসরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার আগে সকাল থেকেই হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের উপস্থিতি দেখা গেলেও ট্রাম্পের প্রকাশ্যে আসার সম্ভাবনা খুবই কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রশাসনের ঘোষণায় বলা হয়েছে, ইরানগামী বা সেখান থেকে ছেড়ে আসা সব জাহাজের ওপর ‘নিরপেক্ষভাবে’ অবরোধ কার্যকর করা হবে। এ বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের জলসীমা ও উপকূলীয় পথ ব্যবহারকারী সব জাহাজই এ নীতির আওতায় পড়বে।
তবে কীভাবে এ অবরোধ বাস্তবায়ন করা হবে, এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কী হতে পারে—এসব বিষয়ে এখনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। হোয়াইট হাউসের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়ায় এ নিয়ে অনিশ্চয়তাও দেখা গেছে।
আরও পড়ুন <<>> প্রবাসীদের নিয়ে কঠোর বিধিনিষেধ সৌদি আরবের
বিশ্লেষকদের মতে, এ সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও চাপ তৈরি করতে পারে। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে, যা সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
সব মিলিয়ে, সময়সীমা ঘনিয়ে এলেও ট্রাম্পের নীরবতা ও আড়ালে থাকা পরিস্থিতিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। এখন বিশ্বজুড়ে দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে হরমুজ প্রণালির দিকে, যেখানে যেকোনো সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও ভূরাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































