ছবি : সংগৃহীত
লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গে সমন্বিতভাবে জোরাল হামলা শুরুর ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর আইআরজিসি।
এর ধারায় বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ‘ইয়া আমির আল-মুমিনিন কোডনেম’ ব্যবহার করে বিশাল সামরিক অভিযান শুরু করা হয়েছে।
এই দফায় তেল আবিব, আল-কুদস ও হাইফাসহ ইসরায়েলের ৫০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তু এবং ওই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে কদর, এমাদ, খাইবার-শেকান ও ফাত্তাহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে জর্ডানের আল-আজরাক এবং সৌদি আরবের আল-খারজ বিমানঘাঁটিকে এ হামলার আওতায় আনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল-মায়াদিন।
বিবৃতিতে আইআরজিসি প্রথমবারের মতো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, এই অভিযান লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। একই সময়ে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে 'অপারেশন ডিভোর্ড স্ট্র' শুরু করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তারা উত্তর ইসরায়েল লক্ষ্য করে শতাধিক রকেট নিক্ষেপ করেছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোও গত ২৪ ঘণ্টায় ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় অধিকৃত অঞ্চলের বাসিন্দারা দীর্ঘ সময় ধরে সাইরেন ও বাঙ্কারের আশ্রয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
এর আগে ৩৯তম ধাপে ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে বহুমুখী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় আইআরজিসি। শহীদ আমির মুসাভির স্মৃতিতে উৎসর্গ করা ওই অভিযানে খোররামশাহর ও ইমাদ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন অবস্থানগুলো ধ্বংস করার দাবি করা হয়েছে।
এ ছাড়া কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বর্তমানে ইরানি নৌবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মার্কিন বা তাদের মিত্রদের কোনো জাহাজকে সেখান দিয়ে পার হতে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : যুদ্ধ বন্ধে তিন শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
আইআরজিসি জানিয়েছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই আক্রমণাত্মক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আপন দেশ/এনএম
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































