ছবি: সংগৃহীত
ইরানজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ রেখেছে দেশটির সরকার। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান ‘বড় বিপদে’রয়েছে। তিনি সামরিক হামলার নির্দেশও দিতে পারেন বলে সতর্ক করেছেন দেশটিকে।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) ট্রাম্প আবারও হুঁশিয়ার দিয়ে বলেন, আমার কাছে মনে হচ্ছে, মানুষ এমন কিছু শহর দখল করে নিচ্ছে; যা মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও কেউ সম্ভব বলে ভাবেননি।
গত বছরের জুন মাসে ট্রাম্প ইরানে বোমা হামলা চালান। তিনি আবারও ইরানের শাসকগোষ্ঠীকে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, তোমরা গুলি না চালালেই ভালো করবে। কারণ (চালালে) আমরাও গুলি চালানো শুরু করব।
এর আগে সপ্তাহে তেহরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো দুই সপ্তাহে কয়েক ডজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে সংঘর্ষ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন<<>>ইরানজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ, ৮ বিপ্লবী গার্ডসহ নিহত ৬২
ট্রাম্প বলেন, আমি শুধু চাই ইরানের বিক্ষোভকারীরা নিরাপদ থাকবেন। এ মুহূর্তে ইরান খুবই বিপজ্জনক জায়গা আছে।
এদিকে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক ভাষণে দেন। তিনি দেশবাসীকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মুখে ঐক্য বজায় রাখার আহবান জানিয়েছেন।
খামেনি বলেন, বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পক্ষে কাজ করছেন। তিনি আরও বলেন, দাঙ্গাকারীরা সরকারি সম্পত্তি আক্রমণ করছেন।
খামেনি সতর্ক করে বলেন, তেহরান বিদেশিদের ভাড়াটে সৈন্যদের সহ্য করবে না। ট্রাম্পের হাত ইরানিদের ‘রক্তে রঞ্জিত’ বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) নামে একটি ইরানি মানবাধিকার গোষ্ঠীর তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ডিসেম্বর ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। এ পর্যন্ত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মী এবং ৪৮ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































