ফাইল ছবি
রাষ্ট্রের ৯ হাজার কোটি টাকার ক্ষতিসাধনের মামলার আসামি দুদকের সাবেক কমিশনার মো. জহুরুল হক ও বিটিআরসির সাবেক দুই চেয়ারম্যানসহ ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে সংস্থাটি।
দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পৃথক তলবি নোটিশে তাদেরকে বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান চিঠি প্রেরণ করেছেন।
তলবকৃতরা হলেন- সাবেক বিটিআরসি চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.), সাবেক চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, সাবেক দুদক কমিশনার মো. জহুরুল হক, সাবেক কমিশনার মো. রেজাউল কাদের এবং মো. আমিনুল হাসান।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৮ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তারা সরকার অনুমোদন ছাড়া আন্তর্জাতিক ইনকামিং কলের টার্মিনেশন রেট ও রেভিনিউ শেয়ার কমিয়েছিলেন। কল রেট ০.০৩ ডলার থেকে ০.০১৫ ডলারে নামানো হয় এবং সরকারের রেভিনিউ শেয়ার ৫১.৭৫ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশে নামানো হয়। একই সঙ্গে আইজিডব্লিউ অপারেটরের শেয়ার বাড়ানো হয় ১৩.২৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে।
আরও পড়ুন<<>>বড় ভাই নাছিরের চাকরি করলেন ছোট ভাই সৈয়দ
ফলস্বরূপ, রাষ্ট্রকে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায়: রেভিনিউ শেয়ার কমানোর ক্ষতি ৩৮৩ কোটি ৭৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকা, কম রেটে কল আনায় ক্ষতি ২,৯৪১ কোটি ৯৯ লাখ ৩৯ হাজার টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা না আনার ক্ষতি ৫,৬৮৫ কোটি ১ লাখ টাকা। মোট ক্ষতি ৯,০০৯ কোটি ৭৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।
আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪০৯/৪১৮, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সাবেক কমিশনার জহুরুল হকের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ক্ষমতার অপব্যবহার সংক্রান্ত পৃথক অনুসন্ধানও চলমান। তিনি ২০২১ সালের ১০ মার্চ দুদকে কমিশনার হিসেবে যোগ দেন এবং ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর পদত্যাগ করেন। একই দিনে দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ এবং কমিশনার আছিয়া খাতুনও পদত্যাগ করেন।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































