Apan Desh | আপন দেশ

পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’

বাগেরহাট প্রতিনিধি, আপন দেশ

প্রকাশিত: ২০:৫১, ৫ মার্চ ২০২৬

আপডেট: ২১:২৩, ৫ মার্চ ২০২৬

পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি সোনা ‘গায়েব’

ছবি: আপন দেশ

বাগেরহাট শহরে পূবালী ব্যাংকের একটি শাখার লকার থেকে এক ব্যবসায়ীর প্রায় ২০০ ভরি সোনার অলঙ্কার গায়েব হয়েছে। অভিযোগটি জানাজানি হলে সদর পুলিশ ব্যাংকটি পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছে। কীভাবে সুরক্ষিত লকার থেকে এসব অলঙ্কার খোয়া গেল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় পূবালী ব্যাংকের লকারে স্বর্ণালঙ্কার রাখা আমানতকারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) শহরের খানজাহান আলী সড়কের ব্যাংক শাখা পরিদর্শন করে তদন্ত কাজ শুরু হয়েছে। এ তথ্য জানান সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন। ঘটনা জানাজানির পর বিকেলে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাছান চৌধুরীও ব্যাংক পরিদর্শন করেছেন।

সোনার অলঙ্কার খোয়া যাওয়া ব্যবসায়ী সুমন কুমার দাসের বাড়ি বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুপারি ব্যবসা করে আসছেন।

সুমন কুমার দাস গণমাধ্যমকে বলেন, ব্যাংকে আমার একটি লকার রয়েছে। সেখানে আমি গত বছরের ১৫ অক্টোবর আমার মা, খালা, ভাই, স্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন আত্মীয়ের প্রায় ২০০ ভরি সোনার অলঙ্কার একটি বাক্সে জমা রাখি। বুধবার (০৪ মার্চ) বাড়িতে একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেজন্য ব্যাংকে এসে লকার খুলে দেখি কোনো সোনার অলঙ্কার নেই। লকার খালি। আমি বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেছি। তারা তদন্ত করছে।

আরও পড়ুন<<>> সিটি ব্যাংক এমডি মুজিববাদী মাসরুর আরেফিন এখন ব্যাংকখাতের ভয়


পূবালী ব্যাংকের ওই শাখার গ্রাহক মাহফুজুর রহমান এ প্রতিবেদককে বলেন, সুরক্ষিত লকার থেকে এক গ্রাহকের সোনার অলঙ্কার গায়েব হয়ে যাওয়ার সংবাদ পেয়ে দুপুরে ব্যাংকে আসি। এমন ঘটনা শুনে আমি উদ্বিগ্ন হয়েছি। আমারও এ ব্যাংকের লকারে সোনার অলঙ্কার রাখা আছে। আমি এসে আমার লকার খুলে পরীক্ষা করেছি। আমার সোনার অলঙ্কার সব ঠিকঠাক আছে।

বাগেরহাট পূবালী ব্যাংক (পিএলসি) শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন সাংবাদিকদের বলেন, এক গ্রাহকের কিছু মালামাল লকারে রাখা ছিল তা তিনি এখন দেখতে পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ এসে ঘটনা তদন্ত করছে। তদন্তের পরই জানা যাবে আসলে ঘটনাটি কী ঘটেছে।

সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন বলেন, সুমন দাস নামে এক গ্রাহকের ব্যাংকের লকারে রাখা স্বর্ণালংকার পাওয়া যাচ্ছে না- এ অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যাংকে আসি। ব্যাংকের লকার পরিদর্শন করেছি। লকার আমরা সুরক্ষিত পেয়েছি। ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কিভাবে বিপুল পরিমাণ সোনার অলঙ্কার খোয়া গেল তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ।

আপন দেশ/এবি

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়