ছবি: আপন দেশ
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজানের নির্দেশে নিজ দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ চাঁদাবাজি ও সহিংসতার।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, রামগতি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন ২৩ জনের নামে একটি মামলা করেন। অন্যদিকে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মমিন উল্লাহ ইরাজ তিনজনের নামে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। দুই মামলায় মোট ৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিএনপির দুই কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন মিরাজ উদ্দিন ও রিয়াজ উদ্দিন। তারা চরগোসাই গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে।
মমিন উল্লাহ ইরাজ জানান, অভিযুক্তদের মধ্যে মো. রাব্বি চর আলগী ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক। মো. রায়হান একই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। মো. আশিক ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি।
অন্য মামলার বাদী সিরাজ উদ্দিন বলেন, প্রথম আসামি হাজী বেলাল উদ্দিন চর রমিজ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তৃতীয় আসামি শাহরিয়ার হান্না রামগতি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি। বাকি আসামিরা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী। অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা কয়েকটি ইটভাটায় গিয়ে মালিকদের কাছে চাঁদা দাবি করেন। ভাটা শ্রমিকদের মারধর ও হামলার ঘটনাও ঘটে।
আরও পড়ুন <<>> মহাসড়কের পাশে কাটা হাত উদ্ধার
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, হামলা ও চাঁদা দাবির অভিযোগে দুটি মামলা হয়েছে। ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা দেন এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান। তিনি সামাজিক মাধ্যমে মামলার এজাহারের কপি প্রকাশ করেন। সেখানে উল্লেখ করেন, তারেক রহমানের জিরো টলারেন্স নির্দেশনার প্রেক্ষিতে দলীয় নির্দেশ অমান্য করে চাঁদাবাজি ও সহিংসতায় জড়িত ২৬ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































