Apan Desh | আপন দেশ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক

বাধ্যতামূলক ছুটিতে ইসলামী ব্যাংকের এমডি

বাধ্যতামূলক ছুটিতে ইসলামী ব্যাংকের এমডি

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক খানকে দেড় মাসের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এটি সোমবার (১৩ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সাধারণত কোনো ব্যাংকের এমডিকে অপসারণ বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে থাকে। তবে এ ক্ষেত্রে সরাসরি নির্দেশনার ভিত্তিতেই তাকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

১২:২৮ এএম, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার

ছেঁড়া-ফাটা নোট নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর হুঁশিয়ারি

ছেঁড়া-ফাটা নোট নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর হুঁশিয়ারি

দেশজুড়ে ছেঁড়া, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোটের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় সব তফসিলি ব্যাংককে এসব নোট গ্রহণ ও বিনিময় সেবা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারিও দেয়া হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, জনসাধারণের স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে প্রতিটি ব্যাংক শাখায় নিয়ম অনুযায়ী ছেঁড়া-ফাটা ও ময়লাযুক্ত নোট গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে এর বিপরীতে নতুন বা পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোট সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বাজারে এখনো বিপুল পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত নোট প্রচলিত রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের লেনদেনে ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ‘ক্লিন নোট পলিসি’ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

১২:০৩ এএম, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার

বিদ্যুৎ-জ্বালানি সাশ্রয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা 

বিদ্যুৎ-জ্বালানি সাশ্রয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা 

বর্তমান বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে সরকার। এর ধারাবাহিকতায় দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (১১ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি)-১ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ও বিদ্যুৎ সংকটের ঝুঁকি মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন সাশ্রয়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

০৭:৩২ পিএম, ১১ মার্চ ২০২৬ বুধবার

পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের সুখবর দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের সুখবর দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীদের বাংলাদেশ সুখবর দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আমানতকারীদের অ্যাকাউন্ট নতুন গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক-এ স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি আমানতকারীরা তাদের নামে স্ব স্ব ব্যাংকের চেক বইয়ের মাধ্যমে টাকা তোলার সুযোগ পাবেন। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এসব তথ্য জানান। অনিয়ম ও ঋণ খেলাপির চাপে দেশের ব্যাংকগুলো তারল্য সংকটে পড়ে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংকটে থাকা পাঁচটি ব্যাংক একত্রিত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গঠনের অনুমতি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলো হলো—এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক। 

০৫:৩৩ পিএম, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ শনিবার

সাড়ে ১৮ হাজার কোটি টাকা পেল চার ব্যাংক

সাড়ে ১৮ হাজার কোটি টাকা পেল চার ব্যাংক

দেশের সমস্যাগ্রস্থ চারটি ব্যাংককে সাড়ে ১৮ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিশেষ সহায়তা হিসেবে ন্যাশনাল, ফার্স্ট সিকিউরিটি, গ্লোবাল ও ইউনিয়ন ব্যাংককে সোমবার (২৬ নভেম্বর) এ টাকা দেয়া হয়েছে। এ অর্থ দিয়ে কেবল আমানতকারীদের চাহিদা মেটাতে পারবে ব্যাংকগুলো। ঋণ কিংবা পরিচালন ব্যয় মেটাতে পারবে না। আমানতকারীদের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এ অর্থ ধার দিল। এক্ষেত্রে পূর্বের অবস্থান থেকে সড়ে এসেছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। অন্তর্বর্তী সরকার আমলে এটিই কোনো ব্যাংককে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সরাসরি আর্থিক সহায়তা।

০৯:০৮ পিএম, ২৬ নভেম্বর ২০২৪ মঙ্গলবার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন কার্যালয় ছিল এস আলমের!

বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন কার্যালয় ছিল এস আলমের!

সরকারের ভেতরেও যে সরকার থাকে। শীর্ষ কর্তাকেও গোলাম বানিয়ে রাখা যায়- এমন নজির আছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকে। এ কাজটিই করেছে দেশের আলোচিত-সমালোচিত লুটেরা এস আলম গ্রুপ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ তিন কার্যালয় ছিল গ্রুপটির মালিক সাইফুল আলম মাসুদের দখলে। আর যেসব কর্মকর্তা এস আলমের গোলামির জিঞ্জির পরেছিল তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে অকল্পনীয়। একেকজনের কাহিনী আঙ্গুলফুলে কলাগাছ বনে যাবার চেয়েও ভয়ঙ্কর। তাদের কারণে সকল বিধিবিধান ভেঙে নির্বিঘ্নে নামে-বেনামে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা ঋণ নিতে পেরেছে গ্রুপটি। ওই ঋণের মধ্যে ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকাই পাচার করতে পেরেছে কোন প্রশ্নের মুখে না পড়েই। গ্রুপটির বেপরোয়া লুটপাটের ফলে দেউলিয়ার পথে হাটছে দেশের ৮টি ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। আপন দেশ-এর অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে সেচিত্র।

১১:২৬ পিএম, ২১ অক্টোবর ২০২৪ সোমবার

Advertisement
সর্বাধিক পঠিত
Advertisement