Apan Desh | আপন দেশ

ফ্লোর প্রাইস ওঠা বিএটিবিসির শেয়ার বিক্রির হিড়িক!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:০৩, ৪ মার্চ ২০২৪

ফ্লোর প্রাইস ওঠা বিএটিবিসির শেয়ার বিক্রির হিড়িক!

ব্রিটিশ–আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশের (বিএটিবিসি) ফ্লোর প্রাইস উঠলো আজ (৪ মার্চ)। গত ৬ ফেব্রুয়ারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) জারি করা সবশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ার থেকে ফ্লোর প্রাইস ওঠেছে। তবে ফ্লোর প্রাইস ওঠার দিনে কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রিতে হিড়িক পড়েছে।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, ফ্লোর প্রাইস ওঠা বিএটিবিসির শেয়ার দিনের শুরুতেই দাম কমিয়ে বিক্রি শুরু করে বিনিয়োগকারীরা। গতকালের সমাপনী মূল্যের তুলনায় আজ বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ৩৮ টাকা ৯০ পয়সা বা সাড়ে ৭ শতাংশ। তবে দাম কমিয়ে দেয়ার পরেও খুব একটা ক্রেতা দেখা যায়নি ট্রেডিং স্ক্রিনে।

দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ৫২৭ বার হাতবদলে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪০ হাজার ৭৬টি। যার আর্থিক মূল্য ১ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার টাকা। একইসময়ে ট্রেডিং স্ক্রিনে শেয়ার বিক্রির আবেদন ছিল ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৫২১টি। যার মধ্যে আজকের সর্বনিম্ন দামে (৪৭৯ টাকা ৮০ পয়সা) শেয়ার বিক্রির আবেদন ছিল ৯ লাখ ৭৮ হাজার ২৫৭টি। বিপরীতে আলোচ্য সময়ে ট্রেডিং স্ক্রিনে কোন ক্রেতা দেখা যায়নি।

গতকাল ফ্লোর প্রাইস ওঠে যাওয়া গ্রামীণফোনের শেয়ার বিক্রিতেও একই চিত্র দেখা গিয়েছে। আগের কার্যদিবসের তুলনায় কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছিল ২৫ টাকা বা ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। তাতে দরপতনের শীর্ষে জায়গা নিয়েছিল কোম্পানিটি।

শেয়ার বাজারে গতি ফেরাতে গত ১৯ জানুয়ারি প্রায় দেড় বছর পর ‘ফ্লোর প্রাইস’ প্রত্যাহার করা হয়। তবে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হলেও ৩৫ কোম্পানির সর্বনিম্ন ফ্লোর প্রাইস বহাল রাখে বিএসইসি। পরবর্তীতে বাজারে লেনদেনের গতি কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় ধাপে ধাপে তা কমিয়ে মাত্র ৬ কোম্পানিতে নামিয়ে আনা হয়। তবে তিন কোম্পানির বেলায় আলাদা শর্ত জুড়ে দেয় বিএসইসি। নির্দেশনায় জানানো হয়- রবি, জিপি এবং বিএটিবিসির ফ্লোর প্রাইস তাদের রেকর্ড তারিখের পরেরদিন উঠে যাবে।

সমাপ্ত ২০২৩ হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা বিএটিবিসির রেকর্ড তারিখ ছিল গতকাল রোববার। ফলে বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ী আজ কোম্পানিটি ফ্লোর প্রাইস ছাড়া লেনদেন করছে। তবে ফ্লোর প্রাইস বহাল না থাকলেও একদিনের লেনদেনের সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন সীমা বহাল থাকবে।

শেয়ারবাজারের দরপতন ঠেকাতে ২০২২ সালের ২৮ জুলাই ফ্লোর প্রাইস আরোপ করে বিএসইসি। ফ্লোর প্রাইস এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে কোনো শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড বিএসইসির বেঁধে দেয়া দামের নিচে নামতে পারে না। ফলে শেয়ারবাজারে একধরনের স্থবিরতা বিরাজ করে, পাশাপাশি কমে যায় লেনদেন। এমন এক পরিস্থিতিতে গত ২১ জানুয়ারি প্রথম দফায় ৩৫টি বাদে বাকি সব প্রতিষ্ঠানের ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়া হয়। দ্বিতীয় দফায় ২৩ জানুয়ারি তুলে নেয়া হয় আরও ২৩ কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস। সর্বশেষ গত ৬ ফেব্রুয়ারি আরও তিন কোম্পানির ওপর থেকে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।

এখন পর্যন্ত ফ্লোর প্রাইস বহাল থাকা ৬টি কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার, বিএসআরএম লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও শাহজিবাজার পাওয়ার।

আপন দেশ/এসএমএ

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়

শীর্ষ সংবাদ:

শাপলা হত্যাকাণ্ডসহ সকল গণগত্যার বিচার করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী রাজধানীর ফোম কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট মাদক পাচার রোধে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সমঝোতা হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি দেশের স্বার্থবিরোধী হলে পরিবর্তনের সুযোগ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা স্বচ্ছতার সঙ্গে তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীর সব ভবনে সোলার প্যানেল বসছে: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়াকফ প্রশাসকের সাক্ষাৎ মানবপাচারের অভিযোগে বাংলাদেশি ট্রাভেলসের ওপর যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা পানছড়িতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা যুদ্ধ অবসানে মার্কিন প্রস্তাব বিবেচনা করছে ইরান