ছবি : সংগৃহীত
সারাদিন আমরা নানা কাজে ব্যস্ত থাকি। যার ফলে শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়। এ জন্য আমাদের রাতে ঘুমের প্রয়োজন। যার মধ্য দিয়ে শরীরের শক্তি ফিরে আসে। তবে আমাদের পরিমাণ মতো ঘুমানো দরকার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের প্রয়োজন বয়সের সঙ্গে বদলায়। তবে অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে নিয়মিত ছ’ঘণ্টা ঘুম যথেষ্ট নয়।
ঘুম শুধু শরীরকে বিশ্রাম দেয়ার জন্য নয়। এসময় মস্তিষ্ক দিনের বিভিন্ন তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে, স্মৃতি ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরের কোষ ও বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পুনরুদ্ধারের সুযোগ পায়।
দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে তার প্রভাব পড়তে পারে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে। ঘুম ঠিক না হলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া, দিনের বেলায় ক্লান্তি লাগে। কাজে ভুল হওয়ার আশঙ্কাও বাড়তে পারে।
দীর্ঘদিন ঘুমের ঘাটতির সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগ, ওজন বৃদ্ধি ও বিপাকজনিত সমস্যার সম্পর্কও পাওয়া গিয়েছে।
বয়স অনুযায়ী কত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন?
সদ্যোজাত শিশু (০–৩ মাস): ১৪–১৭ ঘণ্টা,
শিশু (৪–১২ মাস): ১২–১৬ ঘণ্টা,
১–২ বছরের শিশু: ১১–১৪ ঘণ্টা,
৩–৫ বছরের শিশু: ১০–১৩ ঘণ্টা,
৬–১২ বছরের শিশু: ৯–১২ ঘণ্টা,
কিশোর-কিশোরী (১৩–১৭ বছর): ৮–১০ ঘণ্টা,
প্রাপ্তবয়স্ক (১৮–৬০ বছর): অন্তত ৭ ঘণ্টা,
৬১–৬৪ বছর: ৭–৯ ঘণ্টা,
৬৫ বছর বা তার বেশি: ৭–৮ ঘণ্টা,
আরও পড়ুন <<>> চকলেট দিবস আজ
কীভাবে বুঝবেন আপনার ঘুম পর্যাপ্ত হচ্ছে না?
রাতে ঘুমানোর পরেও সকালে ক্লান্ত লাগা পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ার অন্যতম লক্ষণ। এছাড়া কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন।
- দিনের বেলায় বারবার ঘুম পাওয়া।
- কাজে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হওয়া।
- সামান্য বিষয়েও বিরক্তি বা মেজাজের পরিবর্তন।
- কোনও কথা বা কাজ সহজে ভুলে যাওয়া।
- সতেজ থাকতে বারবার চা বা কফির প্রয়োজন হওয়া।
- ছুটির দিনে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি সময় ঘুমানো।
এ লক্ষণগুলি নিয়মিত দেখা দিলে নিজের ঘুমের সময় ও অভ্যাস খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। দীর্ঘদিন ঘুমের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































