ছবি: সংগ্রহীত
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনের বুথফেরত জরিপে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট এবং সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবিরের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলেছে। সংশোধিত জরিপ অনুযায়ী, ১২০ আসনের নেসেটে (পার্লামেন্ট) উভয় পক্ষই ৫১টি করে আসন পেতে যাচ্ছে, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে বেশ কম।
ফলে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা কোনো পক্ষই নিশ্চিত করতে পারছে না। এমন পরিস্থিতিতে আরব দলগুলোর সম্ভাব্য ১৮টি আসন সরকার গঠনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট ও সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট সমানসংখ্যক আসন পেতে চলেছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে প্রকাশিত সংশোধিত বুথফেরত জরিপে দুই জোটের আসনসংখ্যা ৫১টি করে দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে, আরব দলগুলো সম্মিলিতভাবে ১৮টি আসন পেতে পারে।
ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ও চ্যানেল ১৩-এর এই পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১২০ আসনের নেসেটে (পার্লামেন্ট) সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে দুই জোটই পিছিয়ে রয়েছে।
চ্যানেল ১৩-এর পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২৭টি আসন নিয়ে পার্লামেন্টের সবচেয়ে বড় দল হতে পারে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি। এরপর রয়েছে আইজেনকটের দল ইয়াশার, যারা পেতে পারে ২৩টি আসন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের ‘টুগেদার’জোট পেতে পারে ১৩টি আসন।
আরও পড়ুন<<>>রাশিয়া যুদ্ধে ২৯ দেশের নাগরিকদের জোরপূর্বক চুক্তি সই
জরিপ অনুযায়ী, জয়েন্ট লিস্ট ১১টি এবং ইউনাইটেড আরব লিস্ট (রা’আম) সাতটি আসন পেতে পারে। এতে দুটি আরব দলের মোট আসনসংখ্যা দাঁড়াবে ১৮টি।
সংশোধিত এ পূর্বাভাসে আইজেনকটের জোটের প্রাথমিকভাবে এগিয়ে থাকার চিত্র বদলে গেছে। এর আগে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ও চ্যানেল ১৩—দুটিই আইজেনকটের জোটকে ৫৩টি, নেতানিয়াহুর জোটকে ৫০টি এবং আরব দলগুলোকে ১৭টি আসন দিয়েছিল।
এর আগে চ্যানেল ১২-এর বুথফেরত জরিপে আইজেনকটের জোটের জন্য ৫২টি, নেতানিয়াহুর জোটের জন্য ৫০টি এবং আরব দলগুলোর জন্য ১৮টি আসনের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল।
কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশ। ১৯৯৯ সালের পর এটিই সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি। ২০২২ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে ৭ দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্ট।
এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ১০টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ২টায়) ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর ভোট গণনা শুরু হয়। তবে বুথফেরত জরিপের ফল কেবল সম্ভাব্য ফলাফলের পূর্বাভাস, এগুলো আনুষ্ঠানিক ফল নয়।
আগামী ০৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করা হতে পারে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































