Apan Desh | আপন দেশ

চকলেট দিবস আজ

আপন দেশ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৫১, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

চকলেট দিবস আজ

ছবি : সংগৃহীত

শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক; চকলেট পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কখনো মন ভালো করার খাবার, কখনও প্রিয়জনকে উপহার, আবার কখনো উৎসবের আনন্দ বাড়াতে চকলেটের জুড়ি নেই। বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এ মিষ্টি খাবারের প্রতি ভালোবাসা উদযাপন করতে প্রতিবছর ২৮ অক্টোবর পালিত হয় চকলেট দিবস।

চকলেটের রয়েছে নানা ধরন, স্বাদ ও ব্যবহার। কোনোটি মিষ্টি ও দুধের স্বাদে ভরপুর, আবার কোনোটি রান্না কিংবা মিষ্টান্ন তৈরিতে বেশি ব্যবহৃত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারকদের সংগঠনের উদ্যোগে দিবসটি পরিচিতি পেয়েছে। দিনটি সব ধরনের চকলেটের জন্যই উৎসর্গ করা হয়েছে।

চকলেট তৈরি হয় যেভাবে : চকলেট তৈরির মূল উপাদান আসে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে জন্মানো ক্যাকাও গাছের বীজ থেকে। মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাঞ্চলে এ গাছের উৎপত্তি ও চাষের ইতিহাস রয়েছে। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, প্রায় খ্রিষ্টপূর্ব ১১০০ সাল থেকেই ক্যাকাও বীজ চাষের প্রমাণ পাওয়া যায়।

চকলেট তৈরির প্রক্রিয়া বেশ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমে ক্যাকাও বীজ গাঁজন করা হয়, যাতে এর স্বাদ ও সুগন্ধ তৈরি হয়। এরপর বীজ শুকিয়ে পরিষ্কার করে ভাজা হয়। খোসা ছাড়ানোর পর পাওয়া যায় ক্যাকাও নিবস। 

এগুলো গুঁড়া করে তৈরি করা হয় চকলেটের মূল উপাদান। পরে প্রয়োজন অনুযায়ী চিনি, দুধ ও অন্যান্য উপাদান মিশিয়ে তৈরি হয় বিভিন্ন ধরনের চকলেট।

চকলেটের পাঁচ জনপ্রিয় ধরন-

১. চিনি ছাড়া রান্নার চকলেট : এ চকলেটে মূলত ক্যাকাওয়ের কঠিন অংশ ও ক্যাকাওয়ের চর্বি থাকে। স্বাদে তীব্র হওয়ায় এটি সাধারণত কেক, বিস্কুটসহ বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরি ও রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয়।

২. মিষ্টি চকলেট : ক্যাকাওয়ের কঠিন অংশ, ক্যাকাওয়ের চর্বি বা অন্য চর্বি এবং চিনি দিয়ে তৈরি হয় এই চকলেট। উপাদানের অনুপাত অনুযায়ী এর স্বাদ ও মিষ্টির মাত্রা ভিন্ন হতে পারে।

আরও পড়ুন <> দুধ-কলা একসঙ্গে খেলে শরীরে কী ঘটে?

৩. দুধের চকলেট : চকলেটের মূল উপাদানের সঙ্গে গুঁড়া দুধ বা ঘন দুধ মিশিয়ে তৈরি করা হয় দুধের চকলেট। সাধারণত এর স্বাদ মিষ্টি এবং গঠন বেশ মসৃণ। অনেকের কাছে এটি সবচেয়ে পছন্দের চকলেটের ধরন।

৪. সাদা চকলেট : ক্যাকাওয়ের চর্বি, চিনি ও দুধ দিয়ে তৈরি হয় সাদা চকলেট। তবে এতে ক্যাকাওয়ের কঠিন অংশ থাকে না। এ কারণে এর রং ও স্বাদ অন্য চকলেটের তুলনায় আলাদা।

৫. গোলাপি চকলেট : বিশেষ ধরনের ক্যাকাও বীজ থেকে তৈরি হয় গোলাপি আভাযুক্ত চকলেট। এর স্বাদে মিষ্টির পাশাপাশি ফলের মতো সুগন্ধ ও হালকা টকভাব পাওয়া যায়। রং ও স্বাদের ভিন্নতার কারণে চকলেটপ্রেমীদের কাছে এটি বিশেষ আকর্ষণীয়।

চকলেট শুধু একটি মিষ্টি খাবার নয়, এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস ও নানা ধরনের প্রস্তুতপ্রণালি। পছন্দের ধরন অনুযায়ী কেউ দুধের চকলেট, কেউ সাদা চকলেট, আবার কেউ রান্নার চকলেট বেছে নেন। চকলেট দিবস তাই প্রিয় এ খাবারের নানা স্বাদ ও বৈচিত্র্য জানারও একটি উপলক্ষ।

এমটিআই

 

আপন দেশ/এমটিআই

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়