ছবি: আপন দেশ
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে বিপর্যয়ের মধ্যেও লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। চট্টগ্রাম রয়্যালসের বোলারদের দাপটে একসময় ৯৮ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দলটি। তবে লোয়ার অর্ডারের দৃঢ়তায় নির্ধারিত ২০ ওভার খেলতে পেরে ১৩৩ রানের পুঁজি পায় রাজশাহী। ফাইনালে উঠতে হলে চট্টগ্রামকে করতে হবে ১৩৪ রান।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামে রাজশাহী। শুরুতে সতর্ক ব্যাটিং করেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ হাসান তামিম। তাদের উদ্বোধনী জুটি থামে ৩০ রানে। ১৯ বলে ২১ রান করে আউট হন ফারহান।
নবম ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন শেখ মেহেদী হাসান। টানা দুই বলে তিনি ফেরান রাজশাহীর দুই ভরসার নাম। নাজমুল হোসেন শান্ত ১১ বলে ৮ রান করে আউট হন। পরের বলেই গোল্ডেন ডাকে ফেরেন মুশফিকুর রহিম।
আরও পড়ুন <<>> ভারতে না যাওয়া নিয়ে লিটনের ‘নো কমেন্টস’
এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে রাজশাহী। আকবর আলী করেন ৩ রান। জিমি নিশাম ও রায়ান বার্ল দুজনেই আউট হন ৬ ও ৩ রানে। চাপের মধ্যেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন তানজিদ হাসান তামিম। মন্থর উইকেটে ৩৭ বলে ৪১ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও একটি ছক্কার মার।
১০০ রানের আগেই ৭ উইকেট হারায় রাজশাহী। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। লোয়ার অর্ডারে নেমে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন তিনি। মাত্র ১৫ বলে দুটি চার ও তিনটি ছক্কায় করেন ৩২ রান। তাকে ভালোভাবে সঙ্গ দেন রিপন মণ্ডল। রিপন ৮ বলে একটি ছক্কায় করেন ১০ রান।
এ দুজনের ব্যাটেই শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ের পুঁজি পায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। চট্টগ্রাম রয়্যালসের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন শেখ মেহেদী হাসান ও আমির জামাল।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































