ছবি: সংগৃহীত
আপনি কী জানেন খালি পায়ে হাঁটা শরীর ও মনের জন্য কতটা উপকারী? তবে বাস্তবতা এ ব্যস্ত নগরজীবনে জুতা-স্যান্ডেল ছাড়া হাঁটার যেন সুযোগই নেই। অথচ প্রতিদিন মাত্র ১৫ থেকে ৩০ মিনিট ঘাস, কিংবা মাটির ওপর খালি পায়ে হাঁটা শরীর ও মনের জন্য দারুণ উপকারী।
এমনটাই বলছেন ভারতের প্রখ্যাত হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ ড. অলোক চোপড়া। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে তিনি জানান, প্রকৃতির সঙ্গে এ সহজ সংযোগ শরীরের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং মানসিক প্রশান্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হতে পারে।
ড. চোপড়ার মতে, যখন খালি পা সরাসরি মাটি, ঘাস বা বালুর সংস্পর্শে আসে, তখন শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক চার্জ পৃথিবীতে নির্গত হতে পারে। এর ফলে শরীরের কোষগুলো তাদের স্বাভাবিক বৈদ্যুতিক ভারসাম্য বা রিপোলারাইজেশন ফিরে পেতে সহায়তা পায়।
আরও পড়ুন <<>> হাঁড়িসহ খাবার ফ্রিজে তুলে ডেকে আনছেন যে বিপদ
তিনি বলেন, এ প্রক্রিয়া লোহিত রক্তকণিকাকে আরও স্বাভাবিকভাবে চলাচলে সহায়তা করতে পারে, যা রক্তসঞ্চালন ভালো রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে।
যেসব উপকার মেলে: বিশেষজ্ঞের মতে, নিয়মিত খালি পায়ে হাঁটার ফলে-
১. শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক চার্জ নির্গত হতে সহায়তা করতে পারে।
২. মানসিক চাপ কমিয়ে স্বস্তি ও প্রশান্তি অনুভব করতে সাহায্য করতে পারে।
৩. মানসিক স্বচ্ছতা, আবেগগত ভারসাম্য এবং ভালো ঘুমে সহায়ক হতে পারে।
৪. প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ বাড়িয়ে মনকে বর্তমান মুহূর্তে থাকতে সাহায্য করতে পারে।
৫. রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে সব কিছু সবার জন্য নয়। যাদের ডায়াবেটিসজনিত পায়ের সমস্যা, পায়ে ক্ষত, সংক্রমণ বা অনুভূতি কমে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খালি পায়ে হাঁটা উচিত নয়।
হাঁটার আগে জায়গাটি নিরাপদ কি না সেদিকেও খেয়াল রাখা জরুরি। প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার ছোট্ট এ অভ্যাস আপনার জন্য দারুণ উপকারী। এর সঙ্গে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করাও গুরুত্বপূর্ণ।
আপন দেশ/এসএস





































