ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় পাঁচটি ইরানি তেলের ট্যাংকার ধ্বংসের প্রতিক্রিয়ায় হরমুজ প্রণালিতে দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, মার্কিন ‘সন্ত্রাসী বাহিনীর আগ্রাসন ও বিদ্বেষের’ জবাবে তাদের নৌবাহিনী এসব জাহাজে হামলা চালিয়েছে।
এর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির আরও ১০টি ‘লঙ্ঘনকারী জাহাজকে’লক্ষ্যবস্তু করার কথাও জানিয়েছে আইআরজিসি। এসব জাহাজ যুক্তরাষ্ট্রের ‘উসকানি ও সমর্থনে’ প্রণালির একটি ‘নিষিদ্ধ ও অনিরাপদ অঞ্চল’ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ করেছে ইরানি বাহিনী।
আইআরজিসি বলেছে, হরমুজ প্রণালি এখনও তাদের ‘শক্তিশালী ও কর্তৃত্বপূর্ণ নজরদারি ও ব্যবস্থাপনার’ অধীনে রয়েছে।
আরও পড়ুন<<>>ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলায় ফের উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য
এর আগে মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) ইরানের পাঁচটি তেলের ট্যাংকার ধ্বংস করার কথা জানায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে আইআরজিসির উপর্যুপরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল বলে দাবি করে ওয়াশিংটন। কলম্বিয়া সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইরান মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে হামলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যতবার তারা এমন চেষ্টা করবে, ততবারই তাদের ট্যাংকার হারাতে হবে।
মার্কিন হামলার পরই জর্ডানের আজরাক এলাকায় মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত একটি ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে আইআরজিসি। তবে জর্ডান জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ২০টির মধ্যে ১৮টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে এবং দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ফাঁকা জায়গায় পড়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। মার্কিন কর্মকর্তারাও নিশ্চিত করেছেন যে হামলায় তাদের কোনো সেনা সদস্যের ক্ষতি হয়নি।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































