ছবি : আপন দেশ
মোংলা বন্দরের হারবাড়িয়া-৭ এলাকায় এমভি আনাসা জাহাজে ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে ১,১৭৪ দশমিক ৭২৪ মেট্রিক টন বেশি স্ল্যাগ পাওয়া গেছে। কার্গোর পরিমাণ যাচাইয়ের সময় কাস্টমস কর্মকর্তাদের সতর্কতা ও দক্ষতায় অতিরিক্ত পণ্য আমদানির বিষয়টি ধরা পড়ে।
এর মাধ্যমে সরকারের ৩৪ লাখ ২১ হাজার টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।
মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানায়, কাস্টম্স কর্তৃক শুল্ক ফাঁকির ওই প্রচেষ্টা রুখে দিয়েছে। পরে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন <<>> পালাচ্ছে বসুন্ধরা
এনবিআর জানায়, বসুন্ধরা রেডিমিক্স অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের আমদানিকৃত স্ল্যাগবাহী জাহাজটি গত ১ সেপ্টেম্বর মোংলা বন্দরে আসে। বিল অব লেডিং অনুযায়ী জাহাজে ২৪,০০০ মেট্রিক টন স্ল্যাগ ঘোষণা করা হয়েছিল।
কাস্টমস কর্মকর্তারা শিপিং এজেন্ট ও সার্ভে/মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে প্রাথমিক লাইট লোড সার্ভে করলে প্রায় ২৫,৪৬৪.৬৮২ মেট্রিক টন পণ্য থাকার তথ্য পাওয়া যায়। বিষয়টি নিয়ে আমদানিকারক ও জাহাজ সংশ্লিষ্টদের আপত্তির পর কাস্টম্সের উদ্যোগে পুনরায় যৌথ সার্ভে করা হয়।
আরও পড়ুন <<>> বসুন্ধরার পাচারের টাকায় তিন মহাদেশে আট সাম্রাজ্য!
পরবর্তী লাইট ড্রাফট সার্ভেতে চূড়ান্তভাবে ২৫,১৭৪.৭২৪ মেট্রিক টন স্ল্যাগ পাওয়া যায়। অর্থাৎ ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে ১ হাজার ,১৭৪ দশমিক ৭২৪ মেট্রিক টন বেশি পণ্য শনাক্ত হয়েছে।
কাস্টম্সের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, অতিরিক্ত পণ্যের বিপরীতে সম্ভাব্য রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ প্রায় ৩৪ লাখ ২১ হাজার ৯৭১ টাকা।
কর্মকর্তাদের তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ, সতর্কতা এবং পণ্যের প্রকৃত পরিমাণ যাচাইয়ের দক্ষতার কারণেই ঘোষণার সঙ্গে বাস্তব কার্গোর পার্থক্যটি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































