ছবি: সংগৃহীত
হোয়াইট হাউস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেই। একই সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন, না হয় বড় ধরনের সামরিক হামলার মুখে পড়তে হবে বলে হুমকি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) ওয়াশিংটনে এ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়, যখন ট্রাম্প অত্যন্ত কঠোর ও ভয়ানক ভাষা ব্যবহার করেন। তিনি বলেন, ইরান যদি তার শর্ত মেনে না নেয়, তাহলে একটি পুরো সভ্যতা আজ রাতেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।
টেক্সাসের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান হোয়াকিন কাস্ত্রো দ্রুত ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন, তিনি স্পষ্ট করে জানান যে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা নেই।
এ নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন কিছু সামরিক উপায় ব্যবহার করতে পারে যা এখনো চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত হয়নি। কিছু সূত্র দাবি করে, এর মাধ্যমে ট্রাম্প পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারেন, তবে হোয়াইট হাউস সামাজিকমাধ্যমে জানায়, ভাইস প্রেসিডেন্টের কথায় এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লিভিট জানান, পরিস্থিতি কোথায় দাঁড়িয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট কী করবেন, তা একমাত্র তিনিই জানেন।
আরও পড়ুন <<>> জাতিসংঘের হরমুজ খোলার প্রস্তাবে রাশিয়া–চীনের ভেটো
এর আগে শনিবার (০৪ এপ্রিল) ট্রাম্প প্রথম এ আলটিমেটাম দেন। তিনি ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার জন্য চুক্তিতে পৌঁছানোর নির্দেশ দেন, যেখানে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি রফতানি হয়। না হলে বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দেয়া হয়।
আইন বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, যদি বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলা হয়, তা আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































