ছবি : সংগৃহীত
চীনে ফুটবল সামগ্রির দোকানে বিক্রি বেড়েছে দেড়শো শতাংশ। দিনদিন ক্রেতাদের ভিড়ে জমজমাট থাকছে দোকানগুলো। পছন্দের দলের জার্সিতে প্রিয় খেলোয়াড়ের নাম এবং নম্বরও ছাপিয়ে নিচ্ছেন ভক্ত-সমর্থকরা। এতে করে এবারের ফিফা বিশ্বকাপ মৌসুমে চীনে শত শত বিলিয়ন ইউয়ান মূল্যের বাজার তৈরি হয়েছে। যার কারণে বাড়ছে ভোক্তা ব্যয় বেড়েছে।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ উন্মাদনায় বুঁদ হয়ে আছেন গোটা দুনিয়ার ফুটবল ভক্ত-সমর্থকরা। পছন্দের দেশ বা দলের জার্সি ও ফুটবল খেলার উপকরণ কেনার হিড়িক পড়েছে দেশে দেশে। কেনাকাটায় ভোক্তাদের আরও বেশি আকৃষ্ট করতে বিশেষ ছাড়ও দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে চীন অন্যতম।
ফুটবল বিশ্বকাপ উন্মাদনায় চীনে ভোক্তা ব্যয় বেড়েছে। বিশেষ ছাড়ে ফুটবল, বিশ্বকাপ ট্রফির রেপ্লিকা, জার্সির দোকানে ভিড় ক্রমেই বাড়ছে। চারবছর পরপর স্মৃতি হিসেবে এসব উপকরণ সংগ্রহে রাখতে চান ফুটবলপ্রেমীরা। কেউ কেউ পছন্দের দলের জার্সিতে প্রিয় খেলোয়াড়ের নাম এবং নম্বরও ছাপিয়ে নিচ্ছেন।
ক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, আমি ২০১৪ সাল থেকে জার্মানির ভক্ত। তাই একটি জার্মানির জার্সি কিনতে এ দোকানে এসেছি।
অন্য একজন বলেন, এটা বিশ্বকাপ ট্রফির একটি রেপ্লিকা। এটা বেশ দারুণ। আমি এটা কিনে বছরের পর বছর ধরে যত্ন করে রাখতে চাই।
ক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, এবারের বিশ্বকাপ থিমের কিছু সৃজনশীল পণ্য কিনে আমার সংগ্রহে রাখতে চাই। কারণ এ আয়োজন প্রতি চার বছর পর পর হয়! এ মাসকট পুতুলগুলো দারুণ লাগছে। আমার ব্যাগে দারুণ মানাবে।
পছন্দের দলের ফুটবল উপকরণ কেনার পাশাপাশি বন্ধু-বান্ধব মিলে ভ্রমণ ও বাইরে খাওয়া-দাওয়াও বেড়েছে। এতে করে চীনের পর্যটন শিল্প-সংস্কৃতি এবং রেস্তোরাঁ ব্যবসায় বেশ চাঙ্গা হয়ে উঠছে। ফলে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ মৌসুমে চীনে শত শত বিলিয়ন ইউয়ানের ব্যবসা সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।
আরও পড়ুন <<>> ভারত–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে চরম অবনতি
চায়না ট্যুরিজম একাডেমির গবেষক হান ইউয়ানজুন বলেন, মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র এবার আয়োজক দেশ হলেও; বিশ্বের সব দেশেই ফিফা বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ভোক্তা ব্যয় বেড়েছে। খেলাধুলার সামগ্রী কেনা ছাড়াও পর্যটন খাত বিকশিত হচ্ছে। এতে চীনে এখন শত শত বিলিয়ন ইউয়ান মূল্যের বাজার তৈরি হয়েছে।
৪৮টি দেশের অংশগ্রহণে শুরু বিশ্বকাপ ফুটবলে বরাবরের মতো; এবারও সমর্থকদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে- ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন। চীনে ক্রীড়া সামগ্রীর দোকানে বিক্রি বেড়েছে দেড়শো শতাংশ। প্রায় ৪০ দিনের বিশ্বকাপ আসর থাকায় অনলাইন-অফলাইনে সমানতালে কেনাকাটার গতি আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































