Apan Desh | আপন দেশ

আমিরাতের বন্দর এলাকা দ্রুত খালি করার নির্দেশ ইরানের

 আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ২০:২০, ১৪ মার্চ ২০২৬

আপডেট: ২০:২৫, ১৪ মার্চ ২০২৬

আমিরাতের বন্দর এলাকা দ্রুত খালি করার নির্দেশ ইরানের

ফাইল ছবি, আপন দেশ

ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত এখন এক চূড়ান্ত ও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) ইরান সমর্থিত সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের মাধ্যমে এক জরুরি বার্তায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদের জেবেল আলী (দুবাই), খলিফা (আবুধাবি) এবং ফুজাইরাহ বন্দর এলাকা দ্রুত খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। 

ইরানের দাবি, এসব বেসামরিক এলাকায় মার্কিন সামরিক বাহিনী অবস্থান করায় এগুলো এখন তাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু।

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা আগের চেয়ে শক্তিশালী এবং বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে নতুন দফায় হামলা শুরু করেছে।

ইসরায়েল এবং প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পাশাপাশি তেহরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে।  উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। 

আরও পড়ুন<<>>মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়াবে না তুরস্ক, এরদোগানের ঘোষণা

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবার ভোর থেকে তারা ইরানের ছোড়া ৯টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৩টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত আমিরাত মোট ২৯৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১৬০০টি ড্রোন ধ্বংস করেছে।

এ সময়ে দেশটিতে ৬ জন নিহত এবং ১৪১ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ইরাকের কুর্দিস্তানে আমিরাতি কনস্যুলেটে ড্রোন হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দেশটি।
এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা গত রাতে ইরানের খারগ দ্বীপে একটি ‘বড় ধরনের নিখুঁত হামলা’ চালিয়েছে। এ হামলায় ইরানের নৌ-মাইন ও ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রাখার গুদামসহ ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, তারা ইরানের তেল অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি করেনি। যদিও ইরান বলছে, তাদের তেল রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রাণহানির সংখ্যা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী নিহতের পরিসংখ্যান: ইরান: ১৪৪৪; লেবানন: ৭৭৩; ইরাক: ২৬; ইসরায়েল: ১৪; মার্কিন বাহিনী: ১১; আমিরাত, কুয়েত ও ওমানসহ অন্যান্য: আরও ১৯ জন।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এ যুদ্ধ এখন নির্ণায়ক বা চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে এ লড়াই লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত চলবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়