আলিরেজা আরাফি, মাসুদ পেজেশকিয়ান ও মোহসেনি-এজেই। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। তার মৃত্যুর পরে দেশটির সংবিধান অনুযায়ী একটি লিডারশিপ কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত এ কাউন্সিলই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে।
ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য আলিরেজা আরাফিকে লিডারশিপ কাউন্সিলের ফকিহ বা ধর্মীয় আইনজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কাউন্সিলের অন্য সদস্যরা হলেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই।
দেশটির সংবিধান অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের হাতে ন্যস্ত। নতুন নেতা নির্বাচিত হওয়ার আগপর্যন্ত লিডারশিপ কাউন্সিল অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে। এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব।
আরও পড়ুন <<>> ইরানে ১ দিনে ১২০০টির বেশি বোমা নিক্ষেপ ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের
এ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পাশাপাশি নিহত হন ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ, খামেনির নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি, সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল রাহিম মুসাভি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপুর।
যৌথ হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা, অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































