ছবি: সংগৃহীত
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বাসিলান প্রদেশে ফেরি ডুবে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ভোরবেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটানা ঘটে। এখনও অন্তত ৪৩ জন নিখোঁজ আছেন। ফেরিতে ২৭ জন ক্রুসহ সাড়ে তিনশর বেশি মানুষ ছিলেন। তারা জম্বোয়াঙ্গা থেকে জোলো দ্বীপে যাচ্ছিল। খবর আলজাজিরার।
এ পর্যন্ত ১৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড বাহিনীর ডুবুরিরা। বাসিলানের মেয়র আরসিনা লাজা কাথিং নানোহ এবং ফিলিপাইন কোস্টগার্ড বাহিনীর বাসিলান শাখার বরাতে জানা গেছে এসব তথ্য।
প্রশাসনসূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোরে বাসিলানের জাম্বোয়াঙ্গা শহর থেকে পার্শ্ববর্তী মিন্দানাও প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ‘ত্রিশা কেরস্টিন ৩’ নামের সে ফেরি, কিন্তু যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি ডুবে যায়।
ঠিক কী কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটল তা এখনও জানা যায়নি। কোস্টগার্ড ও দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের কর্মকর্তারা জানান, আপতত তারা ডুবে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধারে মনোযোগ দিচ্ছেন।
আরও পড়ুন<<>>রাশিয়ার তেলবাহী জাহাজ আটক, ফ্রান্সের হেফাজতে ক্যাপ্টেন
দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের উদ্ধারকারী দলের মুখপাত্র রোনালিন পেরেজ এএফপিকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত ১৩৮ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে পেরেছি। তাদের মধ্যে ১৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
উদ্ধার তৎপরতায় গতি আনতে মিন্দানাও প্রাদেশিক প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, উল্লেখ করে রোনালিন আরও বলেন, এ মূহূর্তে আমাদের কর্মীসংকট চলছে। উদ্ধার তৎপরতাকে গতিশীল করতে আমরা মিন্দানাও দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের সঙ্গে যৌথভাবে তৎপরতা চালাচ্ছি। মিন্দানাও প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ এ তৎপরতার সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্বে আছে।
উল্লেখ্য, ১১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ অধ্যুষিত ফিলিপাইনে ফেরি দুর্ঘটনা বিরল ব্যাপার নয়। এর আগে ২০২৩ সালে দক্ষিণ ফিলিপাইনে একটি ফেরিতে আগুন লেগে ৩০ জন নিহত হয়।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































