Apan Desh | আপন দেশ

জাবিপ্রবিতে মৎস্য উৎপাদন শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার

জাবিপ্রবি প্রতিনিধি, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৯:৪৮, ১৬ জুন ২০২৬

জাবিপ্রবিতে মৎস্য উৎপাদন শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার

ছবি: আপন দেশ

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নতুন মৎস্য উৎপাদন শীর্ষক সেমিনার হয়েছে। এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন।

সোমবার (১৫ জুন) ফিসারিজ বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সভাকক্ষে এ সেমিনার হয়। ফিসারিজ বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাদীকুর রহমান সভাপতিত্ব করেন।

‎উক্ত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মৎস্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান, ফ্রান্সের ইউনিভার্সিটি অব লরেইনের সহযোগী অধ্যাপক ড. থমাস লেকক এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ার ইন অ্যানিম্যাল এক্সপেরিমেন্টেশন ড. ইয়ানিক লেডোরে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন বলেন, বর্তমান বিশ্বে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে মৎস্য খাতের অবদান অনস্বীকার্য। প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর চাপ কমাতে টেকসই মৎস্য উৎপাদন নিশ্চিত করা এবং মাছের বহুমুখী ব্যবহার ও নতুন পণ্য উদ্ভাবন এখন সময়ের দাবি। এ লক্ষ্যে মৎস্য খাতে নিবিড় গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন <<>> ১৭৭ ভেটেরিনারি শিক্ষার্থী পেলেন সার্জিক্যাল কিট বক্স

বক্তব্যে অতিথিরা বলেন, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সনাতন মৎস্য চাষ পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে প্রযুক্তি-নির্ভর আধুনিকায়নে আমাদের মনোযোগী হতে হবে। বিশেষ করে, মূল্য সংযোজনভিত্তিক নতুন পণ্য উদ্ভাবন এবং বাজারের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে গবেষণার পরিধি বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। নিরাপদ ও পুষ্টিকর মৎস্যজাত পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে এ খাতকে জাতীয় অর্থনীতিতে আরও শক্তিশালী ও টেকসই অবস্থানে নিয়ে আসা সম্ভব।

ফ্রান্সের ইউনিভার্সিটি অব লরেইনের বক্তারা আন্তর্জাতিক গবেষণার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে মৎস্য খাতে প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রাণিজ খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই মৎস্য উন্নয়নে বহুমাত্রিক গবেষণার ওপর তারা বিশেষ জোর দেন।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও গবেষকগণ একমত পোষণ করেন যে, উদ্ভাবনী মাছজাত পণ্য ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার চর্চা খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে যুগান্তকারী অবদান রাখতে সক্ষম।

আপন দেশ/এসএস

মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়