ফাইল ছবি
টানা চার মেয়াদে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন কাজী মো. সালাউদ্দিন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর ইচ্ছে থাকলেও আর নির্বাচন করতে পারেননি তিনি। সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) সভাপতি হিসেবে বহাল ছিলেন সাবেক এ তারকা ফুটবলার। শুধু তাই নয়, নতুন করে আবার সাফ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সালাউদ্দিন।
শনিবার (০১ আগস্ট) ভুটানের থিম্পুতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাফ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
২০০৮ সালে বাফুফে সভাপতি হন সালাউদ্দিন। এরপরের বছরই সাফ সভাপতিও নির্বাচিত হন। ২০০৯ থেকে টানা তিনি এ পদে নির্বাচিত হয়ে যাচ্ছেন। সাফের গঠনতন্ত্রে সভাপতি দুই মেয়াদের বেশি নয়, ৭০ বছরের বেশি কেউ কমিটিতে থাকতে পারবে না এ রকম বিষয় গঠনতন্ত্রে ছিল। গত বছর গঠনতত্ত্ব সংশোধন করে এগুলো প্রত্যাহার করা হয়। তখনই নিশ্চিত ছিল সালাউদ্দিন আবার সভাপতি হচ্ছেন।
আরও পড়ুন<<>>মেসি মায়ামির হয়ে মাঠে নামছেন রোববার
সাফে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে সদস্য দেশের সমর্থন ও প্রস্তাব লাগে। কাজী সালাউদ্দিন এবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন থেকে এ সমর্থন নেননি। দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বাফুফের বর্তমান কমিটি সালাউদ্দিনকে সমর্থন দেয়ার মতো অবস্থায় ছিল না। তাই সালাউদ্দিন নেপাল ও ভুটান থেকে সমর্থন নিয়ে সভাপতি পদে দাঁড়িয়েছেন৷
সাফের নির্বাচনের মনোনয়ন জমা ও প্রত্যাহার মাস খানেক আগেই শেষ হয়েছে। সালাউদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হওয়া ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতা। এদিন ভুটানের থিম্পুতে কংগ্রেসে সে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বাফুফে সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ আরেফ সাফের নির্বাহী সদস্য হয়েছেন।
শনিবার বিকেলে সাফের ড্র রয়েছে। নেপাল ফিফার নিষেধাজ্ঞায় থাকায় তারা ড্রতে নেই। আজকের কংগ্রেসে নেপালকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে টুর্নামেন্টে খেলতে পারবে অন্যথায় নয়। নেপালের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে স্বাগতিক বাংলাদেশের গ্রুপে পড়বে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































