ছবি: সংগৃহীত
ইতালিতে কারও শরীরে পানি বা তরল ছুড়ে মারলে ফৌজদারি মামলা হতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী এটি ‘পারকোসে’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
দেশটির দণ্ডবিধির ৫৮১ ধারায় এ অপরাধে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড হতে পারে। জরিমানার পরিমাণ হতে পারে সর্বোচ্চ ৩০৯ ইউরো।
তবে এ ঘটনায় কেউ অসুস্থ না হলেও ‘পারকোসে’ সাধারণত ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়।
‘পারকোসে’ শুধু ঘুষি বা লাথির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ধাক্কা দেয়া ও চুল টানাও এর আওতায় পড়তে পারে। অন্যান্য শারীরিক সহিংস আচরণও এতে যুক্ত হতে পারে।
তবে পানি বা কোমল পানীয় ছুড়ে মারলে সেটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে, সরাসরি এমন বিধান নেই। প্রতিটি ঘটনা আলাদাভাবে বিবেচনা করা হয়। ঘটনার ধরন ও উদ্দেশ্য দেখা হয়। শারীরিক প্রভাবও বিবেচনায় নেয়া হয়।
আরও পড়ুন <<>>সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহত
ইতালিতে পানি বা তরল ছোড়ার ঘটনাকে শারীরিক সহিংসতার অংশ হিসেবে নথিভুক্ত করার নজির রয়েছে।
কোনো ঘটনায় চিকিৎসাগত ক্ষতি হলে বিষয়টি আরও গুরুতর হতে পারে। তখন দণ্ডবিধির ৫৮২ ধারা প্রযোজ্য হতে পারে। এ ধারায় ‘লেজিওনি পারসোনালি’ বা শারীরিক আঘাতের কথা বলা হয়েছে।
সাধারণ ক্ষেত্রে এ অপরাধে ছয় মাস থেকে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
তাই ইতালিতে বসবাসকারী প্রবাসী ও নাগরিকদের সতর্ক থাকা জরুরি। প্রতিবাদ বা ক্ষোভের সময় কারও শরীরে পানি বা পানীয় ছোড়া থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ, পরিস্থিতি অনুযায়ী এ ধরনের আচরণ ফৌজদারি অভিযোগের কারণ হতে পারে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































