ফাইল ছবি, আপন দেশ
২০২৪ সালে আইসিবিকে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। যার গ্যারান্টার ছিলো সরকার। এর ঋণের মূল লক্ষ্য ছিলো তারল্য সংকট কাটানো ও পুঁজিবাজার বিনিয়োগ স্থিতিশীল করা।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) দেয়া তিন হাজার কোটি টাকার ঋণের মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়িয়ে দিলো সরকার।
এ সংক্রান্ত চিঠি বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইসিবির কাছে পাঠিয়েছে অর্থমন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে আইসিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, কিছু টাকা শেয়ারে বিনিয়োগ করা আছে। এখন টাকা দিলে শেয়ার বিক্রি করে দিতে হবে। আইসিবির নিজের টাকা পরিশোধ করার সক্ষমতা নেই।
আরও পড়ুন<<>>একীভূত ব্যাংকের আমানতকারীরা অর্থ ফেরত পাবেন: অর্থমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, ঋণ গ্যারান্টির মেয়াদ বাড়াতে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়। সে আবেদনে সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত মে মাসে মেয়াদ শেষ হয়ে যেত। সরকার তিন বছরের জন্য সরকারের গ্যারান্টির মেয়াদ বাড়িয়েছে।
ঋণ পাওয়া তিন হাজার কোটি টাকার মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকাই সুদ ব্যয় ও বিনিয়োগকারিদের পরিশোধ করতে হয়। অবশিষ্ট এক হাজার কোটি টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হয়। বিনিয়োগ করা এক হাজার কোটি টাকা এখনো লাভে রয়েছে বলেন আবু আহমেদ।
আইসিবিকে দেয়া সরকারের গ্যারান্টির মেয়াদ ঠিক করা হয় ঋণ দেয়ার তারিখ থেকে ১৮ মাস। সরকারের দেয়া গ্যারান্টিপত্রে বলা হয়, আইসিবি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারকে যে মুনাফা দেয়, সেখান থেকে অপরিশোধিত বা বকেয়া ঋণ বা ঋণের উপর ধার্য সুদ সমন্বয় করা যাবে না।
উচ্চ সুদের আমানত পরিশোধ শেষে অবশিষ্ট অর্থ ধাপে ধাপে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা নিয়েছিল আইসিবি।
তিন হাজার কোটি টাকার ঋণের সুদহার প্রথমে ধরা হয় নীতি সুদহার ১০ শতাংশে। পরবর্তীতে আইসিবির আবেদনে সুদহার কমিয়ে ৪ শতাংশ করা হয়।
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































