ছবি: আপন দেশ
কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেফতার চার আসামির মধ্যে দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (সংশোধনাগার) পাঠানো হচ্ছে।
অপর দুই প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে পাঠানো হয়েছে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম।
তিনি জানান, পুলিশ চার আসামিকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে। আদালত আসামি ফাহাদ ও কামরুলকে সংশোধনাগারে পাঠানোর অনুমতি দেন।
অন্য দুই আসামি তুহিন ও সিয়ামকে রাখা হবে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে। চারজনের মধ্যে সিয়ামকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান জানান, পুলিশ একটি হত্যা মামলায় চার আসামিকে রবিবার রাতে তাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। তাদের মধ্যে দুই কিশোরকে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।
আরও পড়ুন : অপ্রতিমের মৃত্যুতে শোকে কাতর সহপাঠীরা
মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও কামরুল হাসান (১৬) অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের সংশোধনাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
অন্যদিকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় ১৯ বছর বয়সী মোস্তাইন হোসেন তুহিন ও সিয়ামকে কুমিল্লা কারাগারে রাখা হয়েছে।
আদালত পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান জানান, চারজনের মধ্যে সিয়াম ছাড়া বাকি তিনজন তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল রবিবার রাতে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
নিহত অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে।
গত শুক্রবার নিখোঁজ হওয়ার পরদিন শনিবার দুপুরে কুবি ক্যাম্পাসসংলগ্ন লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, মূলত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়েছে।
আপন দেশ/এমটিআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।





































