ছবি: আপন দেশ
পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি প্রধানপাড়া সীমান্ত দিয়ে ১০জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শুক্রবার (০৫ জুন) ভোর রাতে এ ঘটনা ঘটে। ঐ ১০ জনের মধ্যে নারী-পুরুষ ও শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে বিজিবির কঠোর বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। আবার বিএসএফও তাদের ফিরিয়েও নেয়নি। ফলে প্রায় ৩৬ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তারা দুই দেশের সীমান্তবর্তী জিরো লাইনে অবস্থান করছে। এ কারনে শনিবার (০৬ জুন) পুনরায় বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হলেও মেলেনি কোন সমাধান।
এদিকে, শুক্রবার সারাদিন প্রখর রৌদ্রে থাকার পর সারারাত বৃষ্টির মধ্যে দিন-রাত পার করতে হয়েছে তাদের। তবুও সীমান্তে আটকে থাকা এসব নারী, পুরুষ ও শিশুর ভাগ্যের কোনো সুরাহা হয়নি। বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারা এবং ভারতেও ফিরতে না পারায় তারা সীমান্তের ভারতীয় অংশে অবস্থান করছে।
আরও পড়ুন<<>>সীমান্তে পুশ-ইনের চেষ্টা, রুখে দিলো বিজিবি
স্থানীয়রা বলছেন, সারারাত যে পরিমান বৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়েছে তাতে ঘরে থাকাই দুষ্কর। সেখানে তারা বাচ্চা ও মহিলাদের নিয়ে এভাবে খোলা আকাশের নিচে থেকেছে। আমরা এলাকাবাসী তাদের নিয়ে খুব চিন্তায় থাকলেও বিজিবি-বিএসএফের কোন চিন্তাই ছিলো না মনে হয়। এ বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা সরকারের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে বিএসএফ তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করলে বিজিবির টহল দল তা প্রতিহত করে। পরে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও বিএসএফ তাদের ফেরত নিতে রাজি হয়নি।
নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিজিবি কোনো ধরনের পুশইন মেনে নেবে না। সীমান্তে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
আপন দেশ/এসআর
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































