ছবি : আপন দেশ
পৌষকে বিদায় জানিয়ে এসেছে মাঘ। মাঘের ‘বাঘ কাঁপানো’ শীতে বিপর্যস্ত দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের মানুষ। ৮.৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সীমান্তঘেঁষা এ জেলার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
তবে বৃহস্পতিবারের (১৫ জানুয়ারি) তুলনায় তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও কমেনি শীতের তীব্রতা। গত কয়েকদিন ধরে এ জেলার তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া সর্বনিম্ন ৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এর তিন ঘণ্টা আগে ভোর ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
আরও পড়ুন<<>>পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রির ঘরে, জনজীবন স্থবির
এদিকে, পঞ্চগড়ের আশপাশের উপজেলায় বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও কমেনি শীতের তীব্রতা। উত্তর হিমালয় দিয়ে বয়ে আসা হিমেল বাতাসের কারণে কনকনে ঠান্ডা অব্যাহত রয়েছে। এ কনকনে ঠান্ডার গ্রামের মানুষ শীতের গরম কাপড় পরিধান করছে। এ ছাড়াও দিনের বেলা রোদের দেখা মিলছে না। শীতের তীব্রতা কমেনি। এলাকায় শীতের তীব্রতা বেড়ে গেলেও এখনো সরকারিভাবে শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।
এছাড়া শীতের তীব্রতায় হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে প্রতিদিন শীতজনিত রোগীর ভিড় থাকছেই। হাসপাতালে প্রতিদিন রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের বেশির ভাগই শিশু ও বৃদ্ধ। যারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তারাই কেবল হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
এ বিষয়ে পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় বরাবরই এখানে শীতের তীব্রতা একটু বেশি হয়ে থাকে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এসময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৯ শতাংশ। সামনে দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।
আপন দেশ/জেডআই
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































