ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে শুরু করেছে। রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নেয়ার জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোথাও লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে। একই সঙ্গে অনেকেই অতিরিক্ত জ্বালানি মজুতের চেষ্টা করছেন।
শুক্রবার (০৬ মার্চ) এ পরিস্থিতিতে সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি বিক্রি ও ডিপো থেকে তেল উত্তোলনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম বেঁধে দেয়া হয়েছে। জ্বালানি বিভাগ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে।
আরও পড়ুন <<>> লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৫ বাংলাদেশি
নির্দেশনায় জ্বালানি তেল সরবরাহ গ্রহণ ও বিতরণের ক্ষেত্রে পাঁচটি শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হলো—
১. ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি নেয়ার সময় ভোক্তাকে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ দিতে হবে।
২. পরবর্তীবার জ্বালানি নেয়ার সময় আগের ক্রয় রশিদ বা বিল দেখাতে হবে।
৩. ডিলাররা সরকারের নির্ধারিত বরাদ্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ যাচাই করে ভোক্তাদের কাছে জ্বালানি সরবরাহ করবেন।
৪. ফিলিং স্টেশনগুলোকে জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রয়সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে জানিয়ে তেল উত্তোলন করতে হবে।
৫. তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের জ্বালানি দেয়ার আগে বর্তমান বরাদ্দ অনুযায়ী তাদের মজুত ও বিক্রয় তথ্য যাচাই করবে। কোনো অবস্থাতেই বরাদ্দের বেশি জ্বালানি সরবরাহ করা যাবে না।
সরকারের মতে, এসব নির্দেশনা কার্যকর হলে জ্বালানি তেল নিয়ে অযথা আতঙ্ক, অতিরিক্ত মজুত এবং সরবরাহে বিশৃঙ্খলা কমবে।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































