ছবি : সংগৃহীত
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। টানা দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ হারের স্বদ পেয়েছে টাইগাররা।
শনিবার (১১ জুলাই) শেষ ওয়ানডের লড়াইটা ছিল সম্মান বাঁচানোর।
হারারের গত তিন ম্যাচের ব্যাটিং-দুর্ভোগ কাটিয়ে স্বস্তির এক জয় পেল মেহেদী হাসান মিরাজের দল। শনিবার দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান তামিমের ১৫১ রানের ওপেনিং জুটিতে ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে ধবলধোলাই এড়িয়েছে বাংলাদেশ।
এদিন হারারের স্পোর্টস ক্লাবে ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৪ ওভার হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সফরকারীরা। ৩৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০০ রান ছুঁয়ে ফেলে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।
দুই ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভোগা দলটি এদিন শুরু থেকেই ছিল ভিন্ন মেজাজে। ওপেনিং জুটিতে ১৫১ রান যোগ করে জয়ের ভিত গড়ে দেন তানজিদ হাসান ও সৌম্য সরকার। সিরিজে এটিই বাংলাদেশের প্রথম শতরানের জুটি।
সতর্ক শুরু করলেও পরে গতি বাড়ান সৌম্য। ৮২ বলে ৬৯ রান করে ফেরেন এ বাঁহাতি ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা।
তবে দিনের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ হয়ে থাকল তানজিদের সেঞ্চুরি না পাওয়া। তিনবার জীবন পাওয়া এ ওপেনার একের পর এক সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তিন অঙ্কের দিকে।
আরও পড়ুন <<>> হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২০০
নাজমুল হোসেন শান্ত এক ওভার মেডেন খেলে তাকে সেঞ্চুরির সুযোগ করে দিলেও শেষ পর্যন্ত তা কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। আর্নেস্ট মাসুকুর বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ১০১ বলে ৯৪ রান করে। তার ইনিংসে ছিল আটটি চার ও তিনটি ছক্কা।
এরপর দ্রুত আউট হন তাওহিদ হৃদয়। তবে কোনো বিপদ হতে দেননি শান্ত ও নুরুল হাসান সোহান। শান্ত ২৪ ও সোহান ৫ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয় এনে দেন।
এর আগে টস হেরে বোলিংয়ে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল বাংলাদেশ। ২৭ রানের মধ্যেই জিম্বাবুয়ের তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে চাপে ফেলে সফরকারীরা।
শরিফুল ইসলাম ফেরান বেন কারান ও ক্রেইগ আরভিনকে। অন্যদিকে তাসকিন আহমেদের শিকার হন ব্রায়ান বেনেট। এরপর ইনোসেন্ট কাইয়া ও ওয়েসলি মাধেভেরে ৫১ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন।
কাইয়াকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন তাসকিন। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে ইনিংস বড় করেন মাধেভেরে। শূন্য রানে জীবন পাওয়া এ ব্যাটার ৭৪ বলে ৭৫ রান করেন, যেখানে ছিল পাঁচটি চার ও একটি ছক্কা।
শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্সের ঝোড়ো ফিফটিতে দুইশ রানের কাছাকাছি পৌঁছে যায় জিম্বাবুয়ে। ৪৩ বলে ৫০ রান করেন এ অলরাউন্ডার। শেষ পর্যন্ত ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের হয়ে চার উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। দুটি করে উইকেট শিকার করেন তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম।
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































