ছবি : সংগৃহীত
ইতিহাস গড়ার পথে কানাডা। দেশটি এর আগে দু’বার বিশ্বকাপ খেলেছে। কিন্তু একটা ম্যাচে জিততে পারেনি। এমনকি ড্রও ছিল না তাদের।
২০২৬ বিশ্বকাপের যৌথ স্বাগতিক হিসেবে অংশ নিয়ে বাজে ওই রেকর্ড ভেঙেছে কানাডিয়ানরা। এক জয় ও এক ড্র’তে নকআউট পর্বে উঠেছে দলটি।
রোববার (২৮ জুন) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে লেস রুগার্সরা।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় যেতে পারলে কানাডার বিশ্বকাপ ইতিহাসের পাতা সমৃদ্ধ হবে। ম্যাচটা ঘরের মাঠে খেলতে না পারলেও লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে নিজেদের অনেক দর্শক পাবে কানাডা। ফেবারিটও থাকবে।
গল্পটা দক্ষিণ আফ্রিকার জন্যও একই। ২০১০ বিশ্বকাপে স্বাগতিক হিসেবে বিশ্বকাপে খেলেছিল তারা। এবার ১৬ বছর পর ফিরে গ্রুপের দ্বিতীয় সেরা দল হিসেবে প্রথমবার নকআউট পর্বে এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। স্বাগতিক কানাডাকে হারিয়ে শেষ ১৬ যেতে পারলে তা রূপকথার চেয়ে কম কিছু হবে না দলটির জন্য।
নকআউট ম্যাচে কানাডার জন্য সুখবর হচ্ছে ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফিরলেন দলটির সেরা তারকা আলফনসো ডেভিস। বায়ার্ন মিউনিখের এ তারকা লেফট ব্যাক মে’র পর থেকে মাঠের বাইরে ছিলেন। তবে শুরুর একাদশে তিনি থাকবেন কিনা তা নিশ্চিত নয়।
আরও পড়ুন<<>> আর্জেন্টিনার ফাইনাল খেলার সহজ সমীকরণ
বড় ম্যাচ সামনে রেখে কানাডার কোচ জেসে মার্স বলেছেন, যেকোন টুর্নামেন্টে প্রতিটা মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে মুহূর্তটা নকআউট পর্ব হলে তো কথাই নেই। আমাদের প্রতিটি সেকেন্ডে পূর্ণ মনোযোগ রাখতে হবে, যাতে করে ফলটা আমাদের পক্ষে আসে।
দক্ষিণ আফ্রিকার হেড কোচ হুগো ব্রুসের যেন আরো একরোখা, আমরা নকআউটে আসতে পেরে আনন্দিত। এর অর্থ এ নয় যে, কানাডার বিপক্ষে ম্যাচটা খেলে আমরা দেশে ফিরে যাবো। আপনি একবার নকআউটে আসা মানে প্রত্যাশা বেড়ে যাবে। আমরা ম্যাচটা জিততে চাই।
আজকের খেলা:
কানাডা-সাউথ আফ্রিকা: রাত ১টায়
ব্রাজিল-জাপান: রাত ১১টায়
আপন দেশ/এসএস
মন্তব্য করুন # খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।




































