Apan Desh | আপন দেশ

চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়াতে চায় সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৮:০৯, ৬ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়াতে চায় সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

ব্যবসার খরচ কমাতে চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়াতে চায় সরকার। এলডিসি উত্তরণকে মাথায় রেখে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে জোর দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বুধবার (০৬ মে) রাজধানীতে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিজিএমইএ'র যৌথ উদ্যোগে সার্কুলার অর্থনীতি নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। 

এ সময় সার্কুলার অর্থনীতিতে বিনিয়োগের আগ্রহ জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। তারা জানায়, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকাশে এটি সহায়ক হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সার্কুলার অর্থনীতিতে (বৃত্তাকার অর্থনীতি) রূপান্তর এখন আর কেবল পরিবেশগত কোনো আলোচনার বিষয় নয়। এটি বাংলাদেশের শিল্পখাতের ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাজারে অবস্থান শক্তিশালী করার অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত।
 
বিশ্ববাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, টেকসই উৎপাদন এখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার অন্যতম নির্ধারক। ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও ভোক্তারা এখন এমন উৎপাদন ব্যবস্থার প্রতি আগ্রহী, যা দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার পরিচয় বহন করে। 

আরও পড়ুন<<>>একদিনের ব্যবধানে বাড়লো স্বর্ণের দাম

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সুইচ টু সার্কুলার ইকোনমি কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত পাইলট কার্যক্রম এরই মধ্যে প্রমাণ করেছে যে সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তর কোনো কল্পনাপ্রসূত ধারণা নয়; এটি বাস্তবসম্মত, অর্জনযোগ্য এবং এর বাস্তবায়ন এরই মধ্যে শুরু হয়েছে।

সার্কুলার অর্থনীতি নিয়ে সেমিনারে উদ্যোক্তারা জানান, বিশ্ব বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেকসই সমাধান চান তারা। দেশে তৈরি পোশাক খাত থেকে বছরে প্রায় ৬ লাখ টন টেক্সটাইল বর্জ্য উৎপাদিত হয়। এর মাত্র ৫ শতাংশ পুনর্ব্যবহার করতে পারেন উদ্যোক্তারা।

টেক্সটাইল বর্জ্যের প্রক্রিয়াকরণ সংকট শিল্প ও পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই সক্ষমতা বাড়িয়ে কাঁচামালের অপচয় কমানোর পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেকসই সমাধান চান উদ্যোক্তারা।

ইইউ’র রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, এলডিসি উত্তরণ হলে স্বল্প সুদের ঋণ সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। বিশেষ বাজার সুবিধা শেষ হয়ে যাবে। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। লজিস্টিক খরচ কমিয়ে আনতে চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়ানোর কথাও জানান তিনি।

আপন দেশ/এসআর

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়