Apan Desh | আপন দেশ

অস্ত্র উদ্ধারে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, আপন দেশ

প্রকাশিত: ১৬:১৫, ৬ মে ২০২৬

আপডেট: ১৭:৪৩, ৬ মে ২০২৬

অস্ত্র উদ্ধারে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ছবি: আপন দেশ

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন উদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, বিগত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় দেয়া প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র এখনো জমা পড়েনি। এসব অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বুধবার (০৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ ও শেষ দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়।

সালাহউদ্দিন উদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর লাইসেন্স করা অস্ত্র জমা দেয়ার একটি সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে সময় পেরিয়ে গেলেও অনেক অস্ত্র এখনো মাঠে রয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধার করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে মামলা দায়েরও করা হবে।

তিনি বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি মাদক, চাঁদাবাজি ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধেও ‘শূন্য সহিষ্ণুতা’ নীতি অনুসরণ করতে হবে। সমাজের ভারসাম্য রক্ষায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করা যেমন জরুরি, তেমনি মাদকের বিস্তারও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থ পাচার ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে নতুন আইন প্রণয়নের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স নীতিমালা উপেক্ষা করে বা রাজনৈতিক বিবেচনায় দেয়া হয়েছে, সেগুলো বাতিলের প্রক্রিয়া চলছে। জেলা পর্যায়ের কমিটি যাচাই-বাছাই করে ত্রুটিপূর্ণ লাইসেন্স চিহ্নিত করবে। এরপর প্রয়োজনীয় অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হবে।

আরও পড়ুন <<>> শপথ নিলেন এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম

তিনি জানান, ২০০৯ সালের আগে বৈধভাবে লাইসেন্স পাওয়া ব্যক্তিরা নিয়ম মেনে তাদের অস্ত্র ফেরত পাবেন।

মাঠ প্রশাসন ও পুলিশকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো শিথিলতা বরদাশত করা হবে না। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে।

বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারগুলোর একটি হলো অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা। এর মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আপন দেশ/এসএস

মন্তব্য করুন ।। খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত,আপন দেশ ডটকম- এর দায়ভার নেবে না।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

Advertisement

জনপ্রিয়